কোল ইন্ডিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে কলকাতা লিগে দুরন্ত মোহনবাগান
ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে বড় হারের পর কলকাতা লিগেও ডার্বিতে জয় পায়নি মোহনবাগান। তবে সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়াল সবুজ-মেরুন। বৃহস্পতিবার কোল ইন্ডিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে কলকাতা লিগের পরের পর্বে দারুণ শুরু করল মোহনবাগান। জোড়া গোল করলেন মনবীর সিংহ।
বাস্তব রায়ের প্রশিক্ষণে মোহনবাগান এ দিন ম্যাচের প্রথমার্ধেই পাঁচ গোল করে ফেলে। ডার্বিতে লিস্টন কোলাসোকে প্রথম একাদশে না রাখায় সমালোচনা হয়েছিল। কোল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে অবশ্য প্রথম থেকেই লিস্টনকে খেলান বাস্তব। গোলও পান গোয়ার এই ফুটবলার।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মোহনবাগান। প্রথম কয়েক মিনিটেই লিস্টনের সামনে একাধিক সুযোগ এসেছিল। কিন্তু ফিনিশিংয়ে বার বার ব্যর্থ হন তিনি। উল্টো কোল ইন্ডিয়াও পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। মোহনবাগান গোলরক্ষক দীপ্রভাত ঘোষের তৎপরতায় অল্পের জন্য গোল পায়নি তারা।
২০ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোল করেন মনবীর। সতীর্থের কাছ থেকে বল পেয়ে কোল ইন্ডিয়ার গোলরক্ষককে কাটিয়ে জালে বল পাঠান তিনি। এর পর ৩৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান সাহাল সামাদ।
তার পর যেন গোলের বন্যা বইয়ে দেয় সবুজ-মেরুন। ৩৬ মিনিটে কিয়ান নাসিরির পাস থেকে তৃতীয় গোল করেন সন্দীপ মালিক। এক মিনিট পরেই কিয়ান নিজে গোল করে স্কোরলাইন ৪-০ করেন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন মনবীর। বিরতিতে ৫-০ এগিয়ে যায় মোহনবাগান।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ চালিয়ে যায় সবুজ-মেরুন। মনবীরের সামনে হ্যাটট্রিকের সুযোগ এসেছিল। সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও গোল করার ভাল সুযোগ ছিল। তবে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মোহনবাগান।
উল্টো ৭৪ মিনিটে একটি গোল শোধ করে কোল ইন্ডিয়া। বক্সের মধ্যে সন্দীপ মালিকের হাতে বল লাগায় পেনাল্টি পায় তারা। স্পট কিক থেকে গোল করেন ইরফান।
শেষ পর্যন্ত ৫-১ ব্যবধানেই ম্যাচ জেতে মোহনবাগান। প্রথমার্ধে পাঁচ গোল করে ম্যাচ কার্যত নিজেদের দখলে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা গা-ছাড়া মনোভাব দেখা গেলেও সুপার সিক্সে জয় দিয়ে শুরু করাই আপাতত স্বস্তি দেবে সবুজ-মেরুন শিবিরকে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।