৯০০ কর্মীকে জ়ুম কলে ছাঁটাই করেছিলেন, এ বার নিজেরই চাকরি গেল! পদ ফিরে পেতে মরিয়া প্রবাসী ভারতীয় সিইও

৯০০ কর্মীকে জ়ুম কলে ছাঁটাই করেছিলেন মাত্র তিন মিনিটের জ়ুম কলে ৯০০-রও বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করে এক সময় শিরোনামে এসেছিলেন প্রবাসী ভারতীয় ব্যবসায়ী বিশাল গর্গ। এ বার সেই বিশালই নিজের…

August 16, 2026
1 min read

৯০০ কর্মীকে জ়ুম কলে ছাঁটাই করেছিলেন

মাত্র তিন মিনিটের জ়ুম কলে ৯০০-রও বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করে এক সময় শিরোনামে এসেছিলেন প্রবাসী ভারতীয় ব্যবসায়ী বিশাল গর্গ। এ বার সেই বিশালই নিজের সংস্থার শীর্ষ পদ হারিয়েছেন। বেটার হোম অ্যান্ড ফিন্যান্সের সিইও পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এখানেই থামতে নারাজ তিনি। হারানো পদ ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বিশাল।

সংস্থার তরফে গত ৩ অগস্ট তাঁকে সিইও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হেজ ফান্ড ম্যানেজার ড্যানিয়েল লুইসকে। সংস্থায় যোগ দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ড্যানিয়েলের হাতে শীর্ষপদের দায়িত্ব চলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ বিশাল। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে ‘প্রতারিত’ বলেও দাবি করেছেন।

বিশালের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে ড্যানিয়েল সংস্থার খরচ কমানো এবং আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতির পরিকল্পনা নিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। ড্যানিয়েলের প্রস্তাবে আস্থা রেখে তাঁকে বোর্ডে জায়গাও দিয়েছিলেন বিশাল। কিন্তু পরে তাঁর দাবি, সেই আস্থার সুযোগ নিয়েই ড্যানিয়েল অন্য পরিচালকদের প্রভাবিত করে তাঁকে সিইও পদ থেকে সরানোর উদ্যোগ নেন।

বিশাল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ড্যানিয়েল প্রথমে সংস্থার কৌশলের প্রশংসা করেছিলেন এবং ধীরে ধীরে পরিচালকদের আস্থা অর্জন করেন। তাঁর কথায়, পরে সেই সম্পর্কই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।

এক সময় বেটারের ব্যবসা ছিল বেশ জমজমাট। কোভিড অতিমারির সময়ে মর্টগেজ ব্যবসা বাড়ায় সংস্থার বাজারমূল্য প্রায় ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। মর্টগেজের সুদের হার প্রায় ৭ শতাংশে পৌঁছনোয় রিফিন্যান্সিংয়ের চাহিদা কমতে থাকে। এর প্রভাব পড়ে বেটারের ব্যবসাতেও।

সংস্থার বার্ষিক ব্যবসা ২০২১ সালের প্রায় ১৫০ কোটি ডলার থেকে ২০২৩ সালে নেমে আসে প্রায় ৭ কোটি ডলারে। একই সময়ে বাজারমূল্যও কমে প্রায় ৩০ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।

বিশালের সিইও থাকাকালীন বেটার একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০২১ সালে মাত্র কয়েক মিনিটের জ়ুম কলে ৯০০-র বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। ঘটনার পর বিশালকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা এবং মার্কিন সিকিউরিটিজ় অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের তদন্তও হয়। মামলার ধাক্কায় সংস্থার শেয়ারের দাম এক সময়ে ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে যায়।

এখন পরিস্থিতির চাকা যেন উল্টো দিকে ঘুরেছে। যে সিইও একসঙ্গে শত শত কর্মীর চাকরি যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন, তিনিই এখন নিজের পদ হারিয়ে ফের নেতৃত্বে ফিরতে চাইছেন। বিশালের দাবি, তাঁকে সরানোর পর বেশ কয়েক জন বিনিয়োগকারী তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আবার সংস্থার নেতৃত্বে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন। ফলে বেটারের শীর্ষপদ ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে তিনি কতটা সফল হন, এখন সেটাই দেখার।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *