ফিফা-বিরোধী জোটে ভাঙন!
বিশ্বকাপের মালিকানা ও বাণিজ্যিক পরিকল্পনা নিয়ে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে একাধিক দেশের ক্ষোভের মধ্যেই কিছুটা স্বস্তি পেল ফিফা সভাপতি। ফ্রান্সের পর এ বার অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিশ্বকাপে দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নিউ জ়িল্যান্ডও।
বিশ্বকাপ বিক্রির পরিকল্পনার প্রতিবাদে ফিফার প্রতিযোগিতা বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তিন মহাদেশের একাধিক দেশ। এই পরিস্থিতিতে ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়াল ফ্রান্স এবং নিউ জ়িল্যান্ড। অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিশ্বকাপে দুই দেশই দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হয়ে ওঠা দেশগুলি জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ফিফা আয়োজিত প্রতিযোগিতা বয়কট করা হতে পারে। ফলে ২৪ দলের অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিশ্বকাপে সংশ্লিষ্ট দেশগুলি অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা।
সেই পরিস্থিতিতেই নিউ জ়িল্যান্ড জানিয়ে দিয়েছে, তারা বিশ্বকাপে দল পাঠাবে। তার আগে একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল ফ্রান্স। ফলে ইনফান্তিনোর জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন বলেই মনে করা হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফিফা সভাপতির বিরোধী জোটের অবস্থানে কিছুটা ফাটল ধরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে একের পর এক মহাদেশ যখন ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে, তখন ফ্রান্স ও নিউ জ়িল্যান্ডের মতো দেশের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে।
বিতর্কের সূত্রপাত ইনফান্তিনোর বিশ্বকাপের মালিকানার ২০ শতাংশ বেসরকারি সংস্থার কাছে বিক্রির পরিকল্পনা ঘিরে। পরিকল্পনাটি সামনে আসার পর প্রথম দিকে উয়েফা তার বিরোধিতা করে। পরে ধীরে ধীরে আরও কয়েকটি দেশ সেই বিরোধিতায় যোগ দেয়।
পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ইনফান্তিনো শেষ পর্যন্ত নিজের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন। কিন্তু তাতেও বিতর্কের অবসান হয়নি। গত সপ্তাহে উয়েফা একটি বিবৃতিতে জানায়, ফিফা সভাপতির উপর তাদের আস্থা কমেছে। ভবিষ্যতে ফিফা আয়োজিত প্রতিযোগিতাগুলিতে অংশ নেওয়া উচিত কি না, সেটিও বিবেচনা করতে হবে বলে জানায় তারা।
এর মধ্যেই ফ্রান্স ও নিউ জ়িল্যান্ডের সিদ্ধান্ত নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ফিফার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া বিরোধী জোট কতটা ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং আগামী দিনে আরও কোনও দেশ বয়কটের পথে যায় কি না, এখন সেটাই নজরে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।