প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া আইন!
প্রশ্নফাঁস রুখতে আরও কঠোর আইন কার্যকর করার পথে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনার পর লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাস হল প্রশ্নফাঁসরোধী নতুন বিল। তবে বিল পাসের আগে সংসদে তৈরি হয় তুমুল উত্তেজনা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ঘিরে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হলে বিরোধী সাংসদেরা একযোগে ওয়াকআউট করেন। তাঁদের অনুপস্থিতিতেই ধ্বনিভোটে বিলটি পাস হয়।
নিট-সহ বিভিন্ন সর্বভারতীয় পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং তা নিয়ে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের আবহে পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে কঠোর আইন আনার ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই ঘোষণার ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ সোমবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন।
পরবর্তী দু’দিন ধরে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলে। সরকার দাবি করে, নতুন আইন কার্যকর হলে প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষায় কারচুপি এবং সংগঠিত জালিয়াতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
তবে বিলের উপর ভোটাভুটির আগে সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রাহুল গান্ধীর এক মন্তব্যকে ঘিরে শাসক ও বিরোধী সদস্যদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় বিরোধী সাংসদেরা প্রতিবাদ জানিয়ে কক্ষত্যাগ করেন।
বিরোধীদের ওয়াকআউটের পর ধ্বনিভোটে বিলটি সহজেই পাস হয়ে যায়। বিল পাস হওয়ার পর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা অধিবেশন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন।
নতুন আইনের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত অপরাধে আরও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে বলে সরকারের দাবি। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ও নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই এ ধরনের কঠোর আইনের দাবি জোরালো হয়েছিল। সরকারের মতে, এই আইন পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?