বারুইপুর-কাণ্ডের পর কড়া বার্তা, বেআইনি মদ-গাঁজার ঠেক উচ্ছেদে পুলিশকে দু’সপ্তাহের আল্টিমেটাম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

বারুইপুর-কাণ্ডের পর কড়া বার্তা! বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে বেআইনি মদ, গাঁজা এবং মাদকচক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযানের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সূর্যপুরে…

July 11, 2026
1 min read

বারুইপুর-কাণ্ডের পর কড়া বার্তা!

বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে বেআইনি মদ, গাঁজা এবং মাদকচক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযানের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সূর্যপুরে নতুন পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধনে গিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত বেআইনি মদের ঠেক এবং মাদক বিক্রির আড্ডার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালাতে হবে।

সূর্যপুরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতার পরিবারের পাশাপাশি গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি তিনি বলেন, বারুইপুরের নৃশংস অপরাধের নেপথ্যে বেআইনি মদ ও মাদকের কারবারের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে তাঁর ধারণা। তাই শুধু অপরাধীদের গ্রেফতার করলেই হবে না, অপরাধের উৎসও নির্মূল করতে হবে।

রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত এবং জেলার শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, অতিরিক্ত বাহিনী নামিয়ে রাজ্যজুড়ে বিশেষ অভিযান চালাতে। তাঁর কথায়, ব্যাটেলিয়নে থাকা পুলিশ সদস্যদের কাজে লাগিয়ে প্রতিটি জেলায় পৃথক টিম গঠন করতে হবে এবং যেখানেই বেআইনি মদের ঠেক, গাঁজা বা চরসের আস্তানা রয়েছে, সেখানেই দ্রুত অভিযান চালাতে হবে।

একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছেও আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনও এলাকায় যদি বেআইনি মদের ঠেক বা মাদক বিক্রির খবর জানা থাকে, তবে তা যেন নির্দ্বিধায় পুলিশকে জানানো হয়। মানুষের সহযোগিতা ছাড়া এই সামাজিক ব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, সীমান্ত এলাকায় রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী ইতিমধ্যেই নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে। তবে এবার সেই তৎপরতা শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ না রেখে গ্রামাঞ্চল, বাজার, বাসস্ট্যান্ড এবং জনবহুল এলাকাতেও সমানভাবে চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর লক্ষ্য, গ্রামবাংলা থেকে বেআইনি মাদক ও মদের কারবার সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলে সামাজিক পরিবেশকে নিরাপদ করা।

এ দিন নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তাঁর দাদাকে সিভিক ভলান্টিয়ার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সূর্যপুরের নবগঠিত পুলিশ ফাঁড়িতেই তাঁর কর্মস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্যাতিতার পরিবারকেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। যদিও সেই সাহায্যের পরিমাণ তিনি প্রকাশ করেননি। তাঁর বক্তব্য, পরিবার চাইলে নিজেরাই সে বিষয়ে জানাতে পারে। পাশাপাশি তিনি বলেন, নির্যাতিতার পরিবারের দাবির ভিত্তিতেই এলাকায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ি গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আইন-শৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করা যায় এবং বাসিন্দারা দ্রুত পুলিশি সহায়তা পান।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *