মেসি-রোনাল্ডো মহারণের অপেক্ষায় ফুটবলবিশ্ব!
ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন এক স্বপ্নের লড়াইয়ের দিকে। বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হতে পারেন দুই মহাতারকা—লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। সূচি অনুযায়ী, সব কিছু ঠিকঠাক চললে কোয়ার্টার ফাইনালেই হতে পারত এই বহু প্রতীক্ষিত দ্বৈরথ। কিন্তু ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে কলম্বিয়ার জয় পুরো হিসাবটাই কিছুটা জটিল করে দিয়েছে।
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘কে’-তে দারুণ ছন্দে রয়েছে কলম্বিয়া। টানা দু’টি ম্যাচ জিতে তাদের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট। অন্য দিকে, পর্তুগাল দু’ম্যাচে পেয়েছে ৪ পয়েন্ট। ফলে গ্রুপের শেষ ম্যাচে কলম্বিয়া ও পর্তুগালের লড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই ম্যাচে যদি দুই দল ড্র করে, তা হলে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই নকআউটে পৌঁছে যাবে কলম্বিয়া। রোনাল্ডোর পর্তুগালের সামনে তখন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য জয় ছাড়া আর কোনও রাস্তা থাকবে না।
অন্য দিকে, আর্জেন্টিনা রয়েছে ‘জে’ গ্রুপের শীর্ষে। শেষ ম্যাচে জর্ডনের কাছে হারলেও মেসিদের প্রথম স্থান ধরে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, অস্ট্রিয়া বা আলজেরিয়ার মধ্যে যে দল জিতবে, তারাও ৬ পয়েন্টে পৌঁছতে পারে। কিন্তু মুখোমুখি লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার কাছে হারায় তারা পিছিয়ে থাকবে।
বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়, তা হলে দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের সামনে পড়তে পারে ‘এইচ’ গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানের দল। সেই গ্রুপে রয়েছে স্পেন, উরুগুয়ে, কাবো ভার্দে ও সৌদি আরবের মতো দল। এরপর ধাপে ধাপে এগিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে হবে মেসিদের।
পর্তুগালের ক্ষেত্রেও পথ মোটেও সহজ নয়। রোনাল্ডোরা যদি গ্রুপের শীর্ষে শেষ করেন, তা হলে দ্বিতীয় রাউন্ডে তাঁদের প্রতিপক্ষ হতে পারে ‘ডি’, ‘ই’, ‘আই’, ‘জে’ বা ‘এল’ গ্রুপের তৃতীয় স্থান পাওয়া কোনও দল। সেই বাধা পেরোতে পারলে সামনে আসতে পারে আরও কঠিন লড়াই।
আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল দু’দলই যদি নিজেদের গ্রুপের শীর্ষে শেষ করে, তা হলে কোয়ার্টার ফাইনালে মেসি বনাম রোনাল্ডো লড়াই দেখার সম্ভাবনা তৈরি হবে। কিন্তু পর্তুগাল যদি গ্রুপ রানার্স হয়, তা হলে সূচির অন্য দিকে চলে যাবে রোনাল্ডোর দল। সে ক্ষেত্রে দুই কিংবদন্তির দেখা হতে পারে একেবারে ফাইনালে।
মেসি-রোনাল্ডোর এই দ্বৈরথ অবশ্য নতুন নয়। স্প্যানিশ ফুটবলে দীর্ঘ দিন ধরে তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখেছে বিশ্ব। তবে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে, ক্যারিয়ারের শেষ পর্বে এসে ফের এক বার মুখোমুখি হলে সেটি নিঃসন্দেহে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?