জন্মদিনেও থামলেন না মেসি!
৩৮ পেরিয়ে ৩৯-এ পা দিলেন লিয়োনেল মেসি। বুধবার ছিল তাঁর জন্মদিন। কিন্তু ফুটবলবিশ্বের অন্যতম সেরা তারকার বিশেষ দিনেও ছিল না কোনও বড়সড় আয়োজন, ছিল না ছুটির মেজাজ। কারণ, সামনে যে বিশ্বকাপের লড়াই। আর সেই লক্ষ্য থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরে যেতে চান না আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
বিশ্বকাপের আবহে জন্মদিন পালন করার সুযোগ থাকলেও মেসি বেছে নিয়েছেন অনুশীলন আর প্রস্তুতিকেই। সতীর্থদের সঙ্গে জিম করেছেন, শারীরিক কসরত করেছেন, নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে ঘাম ঝরিয়েছেন। সেই অনুশীলনের ভিডিয়ো নিজেই সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে মেসি-ভক্তদের মধ্যে।
তবে প্রিয় অধিনায়কের জন্মদিন একেবারে উপেক্ষা করেননি আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ়, নিকোলাস ওটামেন্ডি, লাউতারো মার্তিনেজ়রা জানেন, মেসি কখনওই অতিরিক্ত আড়ম্বর পছন্দ করেন না, বিশেষ করে বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। তাই তাঁর পছন্দের কথা মাথায় রেখেই ছোট পরিসরে উদ্যাপনের ব্যবস্থা করা হয়। আয়োজন ছিল, কিন্তু তা রাখা হয়েছিল যথেষ্ট সংযত।
এ বারের বিশ্বকাপেও নিজের জাত চিনিয়েছেন মেসি। প্রথম দুই ম্যাচেই পাঁচটি গোল করে সোনার বুটের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। স্বাভাবিক ভাবেই উঠে এসেছে প্রশ্ন—আগামী ২০৩০ সালের বিশ্বকাপেও কি দেখা যাবে তাঁকে?
জন্মদিনের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে মেসি জানান, এখনই অবসরের কথা ভাবছেন না। তিনি বলেন, যত দিন পর্যন্ত শারীরিক ভাবে ভালো থাকবেন এবং দলকে সাহায্য করতে পারবেন, তত দিন খেলা চালিয়ে যেতে চান।
মেসির কথায়, “এখনই বলা সম্ভব নয়। আমি আগাম কিছু ভাবতে চাই না। প্রতি দিনের জন্য বাঁচি। বর্তমানের উপরই মনোযোগ রাখি।” তাঁর এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করতে চাইছেন না তিনি।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপের সময় মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর। সেই বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিয়মিত খেলা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। ফুটবলপ্রেমীরা তাই এখনও আশায় রয়েছেন—হয়তো আরও এক বার বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে তাঁদের প্রিয় ফুটবল জাদুকরকে।
জন্মদিনের দিনেও মেসির বার্তা একটাই—উৎসব নয়, লক্ষ্য পূরণের প্রস্তুতিই আগে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?