১৫ বছরের বৈভবের জন্য আলাদা সাজঘর, ইংল্যান্ডে কেন মানতে হবে বিশেষ নিয়ম?

১৫ বছরের বৈভবের জন্য আলাদা সাজঘর মাত্র ১৫ বছর বয়সেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন বৈভব সূর্যবংশী। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা করে নিয়েছেন এই তরুণ ব্যাটার।…

June 25, 2026
1 min read

১৫ বছরের বৈভবের জন্য আলাদা সাজঘর

মাত্র ১৫ বছর বয়সেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন বৈভব সূর্যবংশী। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা করে নিয়েছেন এই তরুণ ব্যাটার। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার আগেই তাঁকে মানতে হবে কিছু বিশেষ নিয়ম। ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দলের সঙ্গে থাকলেও সতীর্থদের সঙ্গে একই সাজঘর ব্যবহার করতে পারবেন না বৈভব।

এর পিছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি এবং ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম। ১৬ বছরের কম বয়সি কোনও ক্রিকেটার সিনিয়র দলের সাজঘর ব্যবহার করতে পারবেন না—এমনই নির্দেশিকা রয়েছে। সেই কারণেই বৈভবের জন্য আলাদা সাজঘরের ব্যবস্থা করা হবে।

তবে এই নিয়মের কারণে তাঁর দলের সঙ্গে থাকার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না। ম্যাচের দিন এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সময় মূল সাজঘরে থাকার অনুমতি পাবেন বৈভব। শুধু ব্যক্তিগত প্রস্তুতি এবং অন্যান্য সময় তাঁকে আলাদা জায়গায় থাকতে হবে।

আইপিএলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরই বৈভবকে জাতীয় দলে নেওয়ার দাবি জোরালো হয়েছিল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে ব্যাট হাতে তাঁর আগ্রাসী ক্রিকেট নজর কেড়েছে ক্রিকেট মহলের। শেষ পর্যন্ত নির্বাচকেরাও তাঁকে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ দিয়েছেন। ফলে শ্রেয়স আয়ার, অন্য সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে ইংল্যান্ড সফরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজ় আইসিসির নিয়মের আওতায় হওয়ায় সব ধরনের সুরক্ষা বিধি কঠোর ভাবে মেনে চলা হবে। এর আগে ইংল্যান্ডের তরুণ ফুটবলার ম্যাক্স ডাওম্যানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ১৬ বছর বয়স পূর্ণ না হওয়ায় তাঁকেও আলাদা ড্রেসিংরুম ব্যবহার করতে হয়েছিল।

বৈভবের ইংল্যান্ড সফর নিয়ে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসিবি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে জানানো হয়েছে, তরুণ ক্রিকেটারের দেখভালের জন্য ভারতীয় দলের সঙ্গে এক জন বিশেষ যোগাযোগকারী আধিকারিক থাকবেন। তিনি বৈভবের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি দেখবেন।

এ ছাড়াও প্রতিটি ম্যাচ কেন্দ্রের সেফগার্ড অফিসার বা সুরক্ষা আধিকারিকের সঙ্গে ওই আধিকারিক নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন। মূল লক্ষ্য হল, বৈভবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাজঘরের নিয়ম ও পরিবেশ বজায় রাখা।

উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড সফরে বৈভবের সঙ্গে তাঁর বাবা-মাও থাকবেন। এত অল্প বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপ সামলানো, বিদেশের পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া এবং সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাল মেলানো—সব কিছুতেই তাঁকে বিশেষ নজরে রাখা হবে।

জাতীয় দলের দরজা খুলে গেলেও বৈভবের জন্য এই সফর শুধু ক্রিকেটীয় পরীক্ষা নয়, একই সঙ্গে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের বড় সুযোগ। ভারতীয় ক্রিকেটে এই কিশোর প্রতিভা ভবিষ্যতে কত দূর যেতে পারেন, এখন সেটাই দেখার।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *