মেসির সামনে প্রাক্তন সতীর্থের ছেলে!
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে আইসল্যান্ডকে হারানোর পর এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকল ফুটবল বিশ্ব। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক Lionel Messi অবাক হয়ে যান যখন জানতে পারেন, প্রতিপক্ষ দলের তরুণ স্ট্রাইকার Daniel Gudjohnsen আসলে তাঁর প্রাক্তন বার্সেলোনা সতীর্থ Eidur Gudjohnsen-এর ছেলে।
চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পর এই ম্যাচে গোলও করেন মেসি। খেলা শেষ হওয়ার পরে সৌজন্য সাক্ষাতে ড্যানিয়েল এসে নিজেকে পরিচয় করিয়ে দেন। বাবার নাম শুনেই কিছুটা চমকে ওঠেন মেসি। বার্সেলোনায় একসঙ্গে খেলার স্মৃতি যেন মুহূর্তে ফিরে আসে তাঁর মনে। অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে হাত মেলানোর মধ্যেই ড্যানিয়েলের সঙ্গে কিছুক্ষণ আলাদা করে কথা বলেন তিনি, বাবার খোঁজ নেন এবং স্নেহভরে তাঁকে জড়িয়েও ধরেন।
উল্লেখ্য, ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনার হয়ে খেলেছিলেন এইডুর গুডইয়নসেন। সেই সময় একই দলে ছিলেন মেসিও। ২০০৯ সালে কোচ Pep Guardiola-র অধীনে বার্সেলোনা লা লিগা, কোপা দেল রে এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ঐতিহাসিক ট্রেবল সম্পূর্ণ করেছিল।
তবে এই আবেগঘন মুহূর্তের পাশাপাশি বিশ্বকাপের আগে প্রতিপক্ষদের উদ্দেশেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মেসি। তাঁর মতে, এবার আর্জেন্টিনাকে হারানো মোটেই সহজ হবে না।
মেসি বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে খেলাটা এ বার প্রতিপক্ষদের জন্য কঠিন হবে। আমরা খুব শক্তিশালী দল। দলের মধ্যে অসাধারণ ঐক্য রয়েছে এবং সবাই ভীষণ উৎসাহী। এই দল লড়াই করতে জানে।”
তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগত রেকর্ড বা অর্জনের চেয়ে দলগত সাফল্যই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য দেশের হয়ে সেরা ফল অর্জন করা।
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে ফিরে মাঠে নামতে পেরে স্বস্তিও প্রকাশ করেছেন মেসি। তিনি বলেন, সব কিছু খুব দ্রুত ঘটেছে। ক্লাব ফুটবলে ছন্দে ছিলেন, জাতীয় দলের হয়েও নিয়মিত খেলছিলেন। তাই বিশ্বকাপের ঠিক আগে ফিট হয়ে ফেরাটা তাঁর কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
৩৯ বছর বয়সে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন মেসি। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পরও তাঁর ক্ষুধা যে একটুও কমেনি, সেই ইঙ্গিতই মিলেছে তাঁর কথায়। আর্জেন্টিনা শিবিরের আত্মবিশ্বাসও এখন তুঙ্গে, আর মেসির বার্তা স্পষ্ট— শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ে তারা প্রস্তুত।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?