গোল করে বিশ্বকাপের স্বপ্ন আরও উসকে দিলেন মেসি!
বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের নাম ছিল লিয়োনেল মেসির চোট। পায়ের সমস্যার কারণে তাঁকে নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে সেই সব আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচেই মাঠে ফিরলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। শুধু খেললেনই না, গোল করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও নিলেন তিনি।
ম্যাচ শেষে সমাজমাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পোস্ট করেন মেসি। মাত্র সাতটি শব্দে তিনি বুঝিয়ে দেন দলের লক্ষ্য এখনও একই রয়েছে। স্প্যানিশ ভাষায় লেখা সেই বার্তার অর্থ দাঁড়ায়, “এগিয়ে চলো, আগের চেয়েও আরও কাছে যেতে হবে।” কথাগুলো শুনতে সাধারণ হলেও এর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে বড় বার্তা। ২০২২ সালের সাফল্যের পরও আর্জেন্টিনা থেমে থাকতে চায় না; তাদের লক্ষ্য আবারও বিশ্বকাপ জয়ের মঞ্চে পৌঁছানো।
মেসির এই বার্তা স্বাভাবিকভাবেই উজ্জীবিত করেছে সমর্থকদের। কারণ, তাঁর ফিটনেস নিয়েই ছিল সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন। মাঠে নেমে গোল করার পাশাপাশি নিজের স্বাভাবিক ছন্দও দেখিয়েছেন তিনি। ফলে বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে।
দলের কোচও ম্যাচের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট। যদিও তিনি ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন চোট পাওয়া ডিফেন্ডার লিয়োনার্দো বালেরদের পরিস্থিতিকে। কোচ জানিয়েছেন, তাঁর পরিবর্তে কাকে নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত। খুব শিগগিরই নতুন নাম ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ম্যাচে দলের বেশ কিছু ইতিবাচক দিক চোখে পড়েছে এবং যে সব বিষয়ে উদ্বেগ ছিল, তার অনেকটাই কেটে গিয়েছে।
মিডফিল্ডার রদ্রিগো দি পলও বিশ্বকাপ নিয়ে আশাবাদী। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা সব সময়ই শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার। তিনি বলেন, দল প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায়। দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও স্বপ্নই ফুটবলারদের বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগায়।
প্রস্তুতি ম্যাচে মেসির প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আক্রমণে ধার আনেন। তাঁর তৈরি সুযোগ থেকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করেন মেসি। পরে আরও একটি অসাধারণ পাস থেকে আক্রমণের সূচনা করেন তিনি, যার ফলস্বরূপ দলের আরেকটি গোল আসে।
বিশ্বকাপ যত এগিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে যে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি এখনও সেই মেসিই। আর তাঁর সাত শব্দের বার্তা যেন গোটা দলকেই মনে করিয়ে দিল— লক্ষ্য এখনও অনেক দূরে, কিন্তু সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথ শুরু হয়ে গেছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?