বিশ্বকাপ খেলতে অবশেষে মেক্সিকোয় পৌঁছল ইরান!
দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও ভিসা-জট কাটিয়ে অবশেষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য উত্তর আমেরিকায় পৌঁছে গেল Iran national football team। তবে তারা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে নয়, নিজেদের প্রস্তুতি শিবির গড়েছে Tijuana-তে, যা মেক্সিকো-আমেরিকা সীমান্তের একেবারে কাছেই অবস্থিত।
কেন মেক্সিকোয় শিবির?
ইরানের ফুটবলাররা বেশ কিছু দিন ধরে মার্কিন ভিসার অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে গত শনিবার ভিসা মেলে। এরপর রবিবার ভোরে পুরো দল তিজুয়ানায় পৌঁছয় এবং সেখানেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করে।
বিশ্বকাপে ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে:
- ১৬ জুন বনাম New Zealand national football team (লস অ্যাঞ্জেলেস)
- ২২ জুন বনাম Belgium national football team (ক্যালিফোর্নিয়া)
- ২৭ জুন বনাম Egypt national football team (সিয়াটল)
দল দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলে তাদের কানাডাতেও খেলতে হতে পারে।
নিরাপত্তার কারণেই বিশেষ পরিকল্পনা
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ইরান ম্যাচ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেও রাতে সেখানে থাকবে না। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দলটি ম্যাচের দিন সকালে আমেরিকায় প্রবেশ করবে এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আবার তিজুয়ানায় ফিরে আসবে।
এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক ফুটবলে খুব একটা দেখা যায় না। তবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ইরান এমন পথ বেছে নিয়েছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও Israel-এর যৌথ সামরিক অভিযানের পর Iran পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়। সেই সংঘাতের জেরে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা চরমে ওঠে এবং কিছু সময়ের জন্য যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।
যদিও বর্তমানে সংঘর্ষবিরতি চলছে, তবুও দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ত। সেই কারণেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ, ভিসা প্রাপ্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রে তাদের অবস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন জল্পনা ছিল।
বিশ্বকাপে ইরানের লক্ষ্য
রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রশাসনিক জটিলতার মাঝেও ইরান এখন পুরোপুরি ফুটবলে মন দিতে চাইছে। তিজুয়ানার সীমান্তবর্তী শিবির থেকে প্রতিদিনের প্রস্তুতি চালিয়ে তারা বিশ্বকাপে শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ভালো ফল করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?