বাংলার মহিলা ক্রিকেটে নতুন স্বপ্ন, ঝুলন-অভিষেকদের উপস্থিতিতে জমে উঠল টি-২০ ফাইনাল

ঝুলন-অভিষেকদের উপস্থিতিতে জমে উঠল টি-২০ ফাইনাল! বাংলায় মহিলা ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় ও শক্তিশালী করে তুলতে নতুন উদ্যোগ নিল এনসিসি এবং রাজস্থান ক্লাব। তরুণীদের ক্রিকেটমুখী করতে আয়োজিত হল ‘বাডিং মহিলা টি-২০…

June 4, 2026
1 min read

ঝুলন-অভিষেকদের উপস্থিতিতে জমে উঠল টি-২০ ফাইনাল!

বাংলায় মহিলা ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় ও শক্তিশালী করে তুলতে নতুন উদ্যোগ নিল এনসিসি এবং রাজস্থান ক্লাব। তরুণীদের ক্রিকেটমুখী করতে আয়োজিত হল ‘বাডিং মহিলা টি-২০ ক্রিকেট’ প্রতিযোগিতা, যার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বিবেকানন্দ পার্কে। শুধু খেলার উত্তেজনাই নয়, উপস্থিত ছিলেন বাংলার ক্রিকেট জগতের একাধিক পরিচিত মুখ, যা প্রতিযোগিতার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বুধবারের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ‘মা সারদা’ এবং ‘রানি ঝাঁসি’ দল। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মা সারদা। প্রথমে ব্যাট করে তারা তোলে ১৮১ রানের বড় সংগ্রহ। জয়ের জন্য ১৮২ রানের লক্ষ্য নিয়ে নামা রানি ঝাঁসি ব্যাটিংয়ে একেবারেই ছন্দ খুঁজে পায়নি। মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। ফলে ১২৬ রানের বিশাল ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন হয় মা সারদা।

এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার মেয়েদের মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলা এবং প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের সামনে আসার সুযোগ করে দেওয়া। সেই ভাবনাকেই আরও শক্তি জুগিয়েছে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিরা।

ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ভারতের কিংবদন্তি প্রাক্তন মহিলা ক্রিকেটার Jhulan Goswami। তাঁর উপস্থিতি তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে ছিল বিশেষ অনুপ্রেরণা। পাশাপাশি ছিলেন Abhishek Dalmiya, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলার ক্রিকেট প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দেন এনসিসির সভাপতি Pawan Bhalotia, সিএবির প্রাক্তন সহ-সভাপতি Amlendu Biswas এবং ক্রিকেট ক্লাব অফ ঢাকুরিয়ার কর্ণধার Shantanu Mitra। বাংলার একাধিক প্রাক্তন মহিলা ক্রিকেটারও মাঠে উপস্থিত ছিলেন, যা তরুণীদের জন্য এক বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স দলের হাতে ট্রফি এবং পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। তবে এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি সম্ভবত স্কোরবোর্ডে নয়, বরং সেই বার্তায়— বাংলার মেয়েরাও ক্রিকেটে বড় স্বপ্ন দেখতে পারে।

মহিলা ক্রিকেটে ভারতের সাফল্য যত বাড়ছে, ততই রাজ্য স্তরে এমন প্রতিযোগিতার গুরুত্বও বাড়ছে। ঝুলন গোস্বামীর মতো কিংবদন্তিদের পথ অনুসরণ করে আগামী দিনের তারকা ক্রিকেটার উঠে আসুক— এই আশাই দেখছেন আয়োজকেরা। বাংলার ক্রিকেট মানচিত্রে এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রতিভার জন্ম দিতে পারে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *