আবার অশান্ত পাকিস্তান ক্রিকেটে, ফিজিয়ো ক্লিফ ডিকনকে ছাঁটাই ঘিরে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটারেরা

আবার অশান্ত পাকিস্তান ক্রিকেটে! পাকিস্তান ক্রিকেটে বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েও বারবার প্রশ্ন উঠছে। এ বার সেই তালিকায় যোগ হল দলের দীর্ঘদিনের ফিজিয়ো…

May 28, 2026
1 min read

আবার অশান্ত পাকিস্তান ক্রিকেটে!

পাকিস্তান ক্রিকেটে বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েও বারবার প্রশ্ন উঠছে। এ বার সেই তালিকায় যোগ হল দলের দীর্ঘদিনের ফিজিয়ো ক্লিফ ডিকনকে ছাঁটাই করার ঘটনা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) এই সিদ্ধান্তে নাকি ক্ষুব্ধ দলের একাধিক ক্রিকেটার।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরই বদলের পথে হাঁটে পাক বোর্ড। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ ফিজিয়ো ক্লিফ ডিকনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইফতিখার আহমেদকে।

তবে বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত সহজ ভাবে নিতে পারেননি ক্রিকেটারেরা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের অনেকেই মনে করছেন ডিকনকে অযথাই “বলির পাঁঠা” বানানো হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের পেসারদের সঙ্গে ডিকনের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ভাল। দীর্ঘ দিন ধরে দলের সঙ্গে কাজ করায় ক্রিকেটারদের আস্থা অর্জন করেছিলেন তিনি।

২০১৭ সাল থেকে পাকিস্তান দলের ফিজিয়ো হিসাবে কাজ করছিলেন ৪৫ বছরের ডিকন। চোট সারানো থেকে শুরু করে ফিটনেস ম্যানেজমেন্ট— সব ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নতুন ডিরেক্টর অফ স্পোর্টস জাভেদ মুঘল নাকি তাঁর কাজে সন্তুষ্ট ছিলেন না।

বোর্ডের অভিযোগ, চোট পাওয়া ক্রিকেটারদের সুস্থ করে তুলতে অনেক বেশি সময় লাগছিল। শুধু তা-ই নয়, ঘন ঘন ক্রিকেটারদের চোট পাওয়ার জন্যও পরোক্ষে ডিকনের দিকেই আঙুল তোলা হয়েছে। পাকিস্তান বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের পর ডিকনকে বিদায়ী সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে কয়েক জন ক্রিকেটারকে আবেগপ্রবণ দেখিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

তবে ক্রিকেটারদের বক্তব্য একেবারেই আলাদা। তাঁদের দাবি, রিহ্যাবের মূল কাজ হয় বোর্ডের অ্যাকাডেমিতে। সেখানে ডিকনের ভূমিকা ছিল মূলত পরামর্শদাতার। ফলে কোনও ক্রিকেটার দ্রুত সুস্থ না হলে তার সম্পূর্ণ দায় তাঁর উপর চাপানো ঠিক নয়। বরং অন্যত্র গাফিলতি ছিল বলেই মনে করছেন অনেকেই।

এই ঘটনার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে। গত কয়েক বছরে কোচ, নির্বাচক, অধিনায়ক থেকে শুরু করে সাপোর্ট স্টাফ— প্রায় সব বিভাগেই ঘন ঘন পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। তার প্রভাব দলের পারফরম্যান্সেও পড়ছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

এখন দেখার, ক্রিকেটারদের ক্ষোভের পরে বোর্ড নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে কি না। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, ডিকনের বিদায় পাকিস্তান দলের ড্রেসিংরুমে নতুন অস্বস্তির জন্ম দিয়েছে।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *