এক বাটি টক দই নয়!
গরম পড়তেই বাঙালির রান্নাঘরে টক দইয়ের কদর কয়েক গুণ বেড়ে যায়। শুধু খাওয়ার শেষে এক বাটি দই নয়, এই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার দিয়েই তৈরি করা যায় একাধিক সুস্বাদু পদ। পুষ্টিবিদদের মতে, দই অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে, শরীর ঠান্ডা রাখে এবং হজমেও উপকারী। তাই এই গ্রীষ্মে রোজের ডায়েটে একটু অন্য ভাবে যোগ করুন দই।
🥛 ঘোল
বাংলার চিরচেনা গরমের পানীয়। টক দইয়ের সঙ্গে ঠান্ডা জল, বিটনুন, সামান্য চিনি, লেবুর রস আর ভাজা জিরেগুঁড়ো মিশিয়ে তৈরি হয় ঘোল। দুপুরের রোদ থেকে ফিরে এক গ্লাস ঘোল শরীরকে মুহূর্তে চাঙ্গা করে দিতে পারে।
🍲 দই বড়া
বিউলির ডালের নরম বড়া ঠান্ডা দইয়ে ডুবিয়ে তার উপর চাটনি আর ভাজা মশলা ছড়িয়ে পরিবেশন— দই বড়ার স্বাদই আলাদা। বাইরে কিনতে হবে না, বাড়িতেই সহজে বানানো যায় এই জনপ্রিয় পদ।
🐟 দই মাছ
গরমে হালকা অথচ সুস্বাদু আমিষ চাইলে দই মাছ দারুণ পছন্দ হতে পারে। টক দইয়ের মোলায়েম ঝোল আর অল্প মশলার স্বাদ ভাতের সঙ্গে অসাধারণ লাগে। বাঙালি রান্নাঘরের বহু পুরনো এই পদ এখনও সমান জনপ্রিয়।
🍚 দই-ভাত
দক্ষিণ ভারতের অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার। সাদা ভাতের সঙ্গে দই মিশিয়ে তার উপর সর্ষে, কারিপাতা, শুকনোলঙ্কা আর চিনাবাদামের ফোড়ন দেওয়া হয়। অনেক সময় উপর থেকে বেদানা ছড়িয়েও পরিবেশন করা হয়। গরমে পেট ঠান্ডা রাখতে এটি খুবই কার্যকর।
🧆 দই কবাব
দই দিয়ে তৈরি এই উত্তর ভারতীয় স্ন্যাক্স বাইরে মুচমুচে আর ভিতরে নরম। ধনেপাতা বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে গরম গরম দই কবাব বিকেলের খাবারে জমে যায়।
🥗 দই চাট
চাটপ্রেমীদের জন্য দইয়ের আরেক সুস্বাদু ব্যবহার। আলু, ছোলা, পাপড়ি আর ঠান্ডা দই মিশিয়ে তৈরি এই পদ গরমে বেশ আরামদায়ক। মশলাদার হলেও দইয়ের কারণে খাবারটি তুলনামূলক ভাবে হালকা লাগে।
🥒 রায়তা
গরমের দিনে রায়তা প্রায় সব খাবারের সঙ্গেই মানিয়ে যায়। শসা, পেঁয়াজ, পুদিনা বা ফল দিয়ে তৈরি করা যায় নানা রকম রায়তা। ঝাল বা ভারী খাবারের সঙ্গে এটি শরীরকে অনেকটাই ঠান্ডা রাখে।
গরমে শরীর ভাল রাখতে দামি ‘সুপারফুড’ নয়, রান্নাঘরের সাধারণ টক দইই হতে পারে সবচেয়ে ভরসার সঙ্গী। একটু নতুন ভাবে ব্যবহার করলেই রোজের খাবার হয়ে উঠবে আরও সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা