চেন্নাইয়ের হারের পর রুতুরাজের মন্তব্যে বিতর্ক
চলতি আইপিএলে ব্যাট হাতে ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়। সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ‘মরণ-বাঁচন’ ম্যাচেও তাঁর ব্যাটে রান এল না—২১ বলে মাত্র ১৫ রান, একটিও বাউন্ডারি ছাড়াই। দলের ওপেনার হিসেবে এমন ধীর ইনিংস ম্যাচের গতি কমিয়ে দেয় বলেই মনে করছেন অনেকেই।
তবে ম্যাচ শেষে নিজের ব্যাটিং নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করে দায় চাপালেন দলের বোলারদের ওপর। তাঁর দাবি, চেন্নাইয়ের বোলাররা চাপ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই হারতে হয়েছে দলকে।
রুতুরাজ বলেন, “আমার মতে, বোলারেরা চাপ ধরে রাখতে পারেনি। একটা উইকেট পড়ার পর যতটা চাপ তৈরি করা দরকার ছিল, সেটা হয়নি। এই ধরনের ম্যাচে প্রতিপক্ষকে পুরো সময় চাপে না রাখলে জেতা কঠিন।”
তাঁর মতে, এই উইকেটে ১৮০ রান মোটেই কম ছিল না এবং বোলাররা ঠিকমতো বল করতে পারলে ম্যাচ জেতা যেত। তবে ব্যাটিংয়ের বিষয়ে, বিশেষ করে তাঁর নিজের স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি।
সঞ্চালক রবি শাস্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে রুতুরাজ বারবার বোলিং বিভাগকেই দায়ী করেন, নিজের ইনিংস নিয়ে কিছু না বলেই বিষয়টি এড়িয়ে যান। তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে সমর্থকদের মধ্যে।
অনেক ভক্তের মতে, একজন অধিনায়ক হিসেবে হারের দায়ও সমানভাবে নিতে হয়, কিন্তু রুতুরাজ শুধু জয় এলে কৃতিত্ব নেন, আর হারলে দায় চাপান অন্যদের ওপর—এই মনোভাব প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
পরিসংখ্যানও তাঁর ফর্মের চিত্রটা স্পষ্ট করছে। ১৩ ম্যাচে মাত্র ৩২১ রান, গড় ২৯-এর কাছাকাছি এবং স্ট্রাইক রেট ১২০.৬৭—যা ওপেনার হিসেবে যথেষ্ট কম বলে মনে করা হচ্ছে। দু’টি অর্ধশতরান ছাড়া পুরো মরসুমে ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি তিনি।
চেন্নাইয়ের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনাও এখন আর নিজেদের হাতে নেই। পরের ম্যাচ জিতলেও অন্য দলের ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হবে তাদের। এই অবস্থায় পরপর দ্বিতীয়বার প্লে-অফে ব্যর্থ হলে অধিনায়ক হিসেবে রুতুরাজের ভূমিকা নিয়েও উঠতে পারে বড় প্রশ্ন।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা