কেকেআরের ঘুরে দাঁড়ানোয় খুশি গ্রিন, তবু আক্ষেপ— ‘সব ঠিক করতে অনেক দেরি হয়ে গেল’

কেকেআরের ঘুরে দাঁড়ানোয় খুশি গ্রিন! আইপিএলের শুরুটা দেখে কেউই ভাবেননি কলকাতা নাইট রাইডার্স এত দূর ফিরতে পারবে। একের পর এক হার, ব্যাটিং-বোলিংয়ে অস্থিরতা, বার বার দল বদল— সব মিলিয়ে কার্যত…

May 18, 2026
1 min read

কেকেআরের ঘুরে দাঁড়ানোয় খুশি গ্রিন!

আইপিএলের শুরুটা দেখে কেউই ভাবেননি কলকাতা নাইট রাইডার্স এত দূর ফিরতে পারবে। একের পর এক হার, ব্যাটিং-বোলিংয়ে অস্থিরতা, বার বার দল বদল— সব মিলিয়ে কার্যত দিশেহারা দেখাচ্ছিল অজিঙ্ক রাহানের দলকে। কিন্তু মরসুমের মাঝপথে যেন বদলে গিয়েছে কেকেআরের চেহারা। গুজরাত টাইটান্সকে হারিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে আবার জোরালো ভাবে ফিরেছে তারা।

তবু দলের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার ক্যামেরন গ্রিনের আক্ষেপ, সঠিক কম্বিনেশন খুঁজে পেতে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।

গুজরাতকে হারানোর পর গ্রিন বলেন, দলের ড্রেসিংরুমে এখন আর ভয় বা নেতিবাচকতার পরিবেশ নেই। তাঁর মতে, শুরুতে দল নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিল না। কোন ক্রিকেটারকে কোথায় খেলানো হবে, কোন জায়গায় ভারসাম্য তৈরি হবে— সেই উত্তর পেতেই অনেক সময় নষ্ট হয়েছে।

গ্রিন বলেন, “আমাদের অনেকটা সময় লেগে গেল সব ঠিকঠাক জায়গায় আনতে। দলের ফাঁকগুলো পূরণ করতে এবং ক্রিকেটারদের সঠিক ভূমিকায় মানিয়ে নিতে দেরি হয়েছে। তবে এখন মনে হচ্ছে আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি।”

এই মরসুমে কেকেআরের হয়ে ২৫ কোটি টাকায় কেনা গ্রিন শুরুতে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। কিন্তু ধীরে ধীরে নিজের ছন্দ ফিরে পাচ্ছেন তিনি। গুজরাতের বিরুদ্ধে ২৮ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংস তারই প্রমাণ। বিশেষ করে রশিদ খানের বিরুদ্ধে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং নজর কেড়েছে।

তবে গ্রিন নিজে এই লড়াইকে খুব বেশি বাড়িয়ে দেখতে চান না। তাঁর কথায়, “রশিদ বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার। ভবিষ্যতেও ওর বিরুদ্ধে খেলতে মুখিয়ে থাকব। তবে আমি মনে করি না, শুধু ওকেই আলাদা ভাবে টার্গেট করেছি। ম্যাচে আমাদের জুটিটা ভাল হয়েছিল, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

দলের প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে রাজি বলেও জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই অলরাউন্ডার। তিনি বলেন, “দলের জন্য যেটা ভাল হবে, সেটাই করব। রাহানে দারুণ খেলছে। অঙ্গকৃশ রঘুবংশীও তিন নম্বরে নিজেকে ভাল ভাবে মানিয়ে নিয়েছে। তাই আমার জায়গাটা কোথায় হবে, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মনে হচ্ছে চার নম্বরেই আমি সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ।”

কেকেআরের সামনে এখনও কঠিন অঙ্ক রয়েছে। প্লে-অফে উঠতে হলে নিজেদের বাকি ম্যাচ জেতার পাশাপাশি অন্য দলের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। তবু দলের আত্মবিশ্বাস এখন অনেকটাই বেড়েছে। আর সেই আত্মবিশ্বাসের বড় কারণ, মরসুমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ছন্দ ফিরে পাওয়া।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *