ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরসিবির হার!
অহমেদাবাদের ম্যাচটা কাগজে-কলমে সহজই মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটাই কঠিন করে জিততে হল গুজরাতকে। আর সেই সঙ্গে প্রথম পর্বের হারের বদলাও নিয়ে নিল তারা। Royal Challengers Bangalore প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায়, আর সেই লক্ষ্য তাড়া করে Gujarat Titans ৪ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয়।
ছ’দিন আগেই এই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দাপটের সঙ্গে জিতেছিল বেঙ্গালুরু। সেই ম্যাচে ৮১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন Virat Kohli। কিন্তু এ দিন তাঁর ব্যাট নীরব। শুরুটা আগ্রাসী হলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি, আর সেটাই বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায় দলের জন্য।
গুজরাতের রান তাড়া শুরুটাও নাটকীয়। আগের ম্যাচে শতরান করা Sai Sudharsan দ্রুত ফিরে যান। তবে অধিনায়ক Shubman Gill ঝড় তোলেন—মাত্র ১৮ বলে ৪৩ রান করে ম্যাচের গতি বদলে দেন। তাঁর পর Jos Buttler-ও দ্রুত ৩৯ রান করেন।
তবু সব কিছু সহজ ছিল না। প্রথম সারির ব্যাটাররা ফিরে যাওয়ার পর গুজরাত চাপে পড়ে যায়—১১১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ ঘোরার সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু শেষ দিকে Rahul Tewatia এবং Jason Holder ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করেন।
অন্যদিকে বেঙ্গালুরুর ইনিংসটা যেন ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ার গল্প। শুরুতে কোহলির আগ্রাসন আশা জাগালেও তিনি আউট হতেই চাপ বাড়ে। Devdutt Padikkal ৪০ রান করে কিছুটা লড়াই চালান, কিন্তু তাঁকে ছাড়া আর কেউ বড় রান পাননি। Rajat Patidar-এর ১৯ রানের ইনিংসও বেশিক্ষণ টেকেনি। শেষ পর্যন্ত ১৯.১ ওভারে ১৫৫ রানেই শেষ হয়ে যায় দল।
ম্যাচের একটি বড় বিতর্ক তৈরি হয় পাটীদারের আউট নিয়ে। Kagiso Rabada ও হোল্ডারের মধ্যে ক্যাচ ধরার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত হোল্ডারের হাতে বল গেলেও তা মাটি ছুঁয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কোহলি নিজেও আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত বদলায়নি। এই ঘটনাই যেন ম্যাচে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়।
গুজরাতের বোলিংয়েও ছিল ধার। তিনটি উইকেট নেন Arshad Khan, আর দু’টি করে উইকেট পান হোল্ডার ও Rashid Khan।
সব মিলিয়ে, বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং ব্যর্থতাই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়। আর গুজরাত, যদিও সহজ জয়টা কঠিন করে তোলে, শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছে প্রতিশোধ নিতে ভোলে না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?