কোহলির ব্যাটে জয়, তবে আলো সতীর্থদের দিকেই: বদলে যাওয়া আরসিবির সাফল্যের গল্প

কোহলির ব্যাটে জয়! গুজরাতের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন বিরাট কোহলি। ৪৪ বলে ৮১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেও ম্যাচ শেষে তিনি নিজের পারফরম্যান্সকে বড় করে দেখাতে রাজি হলেন না। বরং…

April 25, 2026
1 min read

কোহলির ব্যাটে জয়!

গুজরাতের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন বিরাট কোহলি। ৪৪ বলে ৮১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেও ম্যাচ শেষে তিনি নিজের পারফরম্যান্সকে বড় করে দেখাতে রাজি হলেন না। বরং পুরো ম্যাচের কৃতিত্ব ভাগ করে দিলেন সতীর্থদের মধ্যে। বিশেষভাবে উঠে এল দেবদত্ত পডিক্কলের নাম, যাঁর ইনিংসকে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন কোহলি।

গুজরাতের ব্যাটার সাই সুদর্শন শতরান করেও শেষ পর্যন্ত দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেননি। কারণ বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং লাইনআপ দৃঢ়ভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ওপেনিংয়ে জেকব বেথেল দ্রুত আউট হলেও, কোহলি ও পডিক্কলের দ্বিতীয় উইকেটের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এই জুটিই দলের ভিত শক্ত করে দেয় বলে মনে করছেন অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে কোহলি বলেন, পডিক্কল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেলেছে, যা দলের জন্য বড় সুবিধা এনে দেয়। তাঁর মতে, পডিক্কল কখনও নিরাপদভাবে খেলতে পছন্দ করেন না, বরং নিজের স্বাভাবিক খেলাটাই চালিয়ে যান। সেই মানসিকতাই চাপ কমিয়ে দেয় গোটা ব্যাটিং ইউনিটের ওপর।

কোহলি আরও জানান, তিনি নিজে উইকেটে টিকে থেকে পডিক্কলকে স্বচ্ছন্দে খেলতে দেওয়ার পরিকল্পনাই করেছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, একবার জুটি সেট হয়ে গেলে রান আসবে এবং বোলারদের ওপর চাপ তৈরি হবে। ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে বেঙ্গালুরুর রান রেট দেখে মনে হয়েছিল ২৩০–২৩৫ পর্যন্ত স্কোর পৌঁছাতে পারে, যা পিচের ব্যাটিং-সহায়ক চরিত্রকেই তুলে ধরেছে।

চলতি মরসুমে বেঙ্গালুরুর পারফরম্যান্স নিয়ে কোহলি বেশ সন্তুষ্ট। তাঁর মতে, এবারের দলে ব্যাটিং গভীরতা ও বৈচিত্র্য দুই-ই রয়েছে। টিম ডেভিড বা রোমারিও শেফার্ডের মতো পাওয়ার হিটার যেমন আছেন, তেমনই ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার মতো অভিজ্ঞ ও স্মার্ট ক্রিকেটারও আছেন, যারা পরিস্থিতি অনুযায়ী ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এই ভারসাম্যই দলকে সাহসী ক্রিকেট খেলতে সাহায্য করছে।

কোহলি আরও ব্যাখ্যা করেন, খেলোয়াড়রা যখন নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখে, তখন স্বাভাবিকভাবেই পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাস ফুটে ওঠে। তাঁর মতে, এই দলটি সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই খেলছে, যার ফলাফল মাঠে দেখা যাচ্ছে।

গতবারের তুলনায় এবারের বেঙ্গালুরু দলকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও সংগঠিত মনে হচ্ছে। যদিও টুর্নামেন্ট এখনো শেষ হয়নি, তবুও কোহলি আশাবাদী যে দল প্লে-অফে জায়গা করে নিতে পারবে এবং আবারও এই মাঠে ফিরে আসার সুযোগ পাবে।

সব মিলিয়ে, ম্যাচে কোহলির ব্যাটিং ছিল ঝলমলে, কিন্তু তার থেকেও বেশি আলো কেড়েছে দলের সম্মিলিত পারফরম্যান্স। আর সেই কারণেই বেঙ্গালুরুর এই জয় শুধু একজনের নয়, পুরো দলের সাফল্যের গল্প হয়ে উঠেছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *