পাঠ্যবই ঘিরে বিতর্ক: বিচারব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্যে কড়া অবস্থান প্রধান বিচারপতির

বিচারব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্যে কড়া অবস্থান প্রধান বিচারপতির! অষ্টম শ্রেণির একটি সমাজবিজ্ঞানের পাঠ্যবইকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, বইটির একটি অধ্যায়ে বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা হয়েছে,…

February 26, 2026
1 min read

বিচারব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্যে কড়া অবস্থান প্রধান বিচারপতির!

অষ্টম শ্রেণির একটি সমাজবিজ্ঞানের পাঠ্যবইকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, বইটির একটি অধ্যায়ে বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা হয়েছে, যা ‘অবমাননাকর’ বলেই মনে করছে শীর্ষ আদালত। বিষয়টি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়েরের ইঙ্গিত দিয়েছেন Supreme Court of India-এর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।

কী বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ে?

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে NCERT-এর অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞানের বইয়ের ‘সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ অধ্যায়। সেখানে আদালতে মামলার দীর্ঘসূত্রতার কারণ হিসেবে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে—

  • বিচারকের ঘাটতি
  • আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতা
  • পরিকাঠামোর অভাব
  • এবং কিছু ক্ষেত্রে ‘দুর্নীতি’র প্রসঙ্গ

এই অংশই আইনজীবী মহলের একাংশের মতে, বিচারব্যবস্থার ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করছে।

আদালতে উঠল বিষয়টি

সম্প্রতি এই বিষয়টি শীর্ষ আদালতের সামনে তোলেন বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তাঁদের বক্তব্য, অল্পবয়সী ছাত্রছাত্রীদের এমনভাবে শেখানো হচ্ছে যেন বিচারব্যবস্থা মূলত দুর্নীতিগ্রস্ত— যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তাঁরা আদালতের কাছে স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপের আর্জিও জানান।

প্রধান বিচারপতির কড়া বার্তা

বিষয়টি শুনে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তাঁর বক্তব্য, “পরিকল্পিত ভাবে বিচারব্যবস্থাকে আক্রমণ করার চেষ্টা চলছে। এমন অবমাননা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বহু ফোন ও অভিযোগ এসেছে এবং প্রয়োজন হলে আদালত নিজে থেকেই মামলা গ্রহণ করবে। বিচারব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষায় আইন তার নিজস্ব গতিতেই এগোবে বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

কেন এত বিতর্ক?

আইনজীবীদের মতে, বিচারব্যবস্থার সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু তা পাঠ্যবইয়ে কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, সেটাই আসল প্রশ্ন। অনেকের মতে, বাস্তব সমস্যার ব্যাখ্যা দেওয়ার বদলে ভাষা এমন হয়েছে, যা ছাত্রদের মনে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব

এই বিতর্ক শুধু একটি পাঠ্যবইকে ঘিরে নয়— বরং বিচারব্যবস্থা, শিক্ষানীতি এবং প্রতিষ্ঠানগুলির মর্যাদা— সব কিছুর মধ্যেই ভারসাম্য রাখার প্রশ্ন তুলেছে।

এখন নজর সবার— আদালত কি সত্যিই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করবে, এবং করলে এর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়। কারণ, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে পাঠ্যপুস্তকে প্রতিষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করার ধরনেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *