যোগ্য শিক্ষা কর্মীদের ফেরানোর দাবিতে সল্টলেক মিছিল!
কলকাতার সল্টলেকে আজ এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদী মিছিলের আয়োজন করা হয়, যেখানে অনাবাসিক এবং চাকরিহীন গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি শিক্ষাকর্মীদের ফেরানোর দাবিতে সরব হন। ‘যোগ্য গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি অধিকার মঞ্চ’ এর উদ্যোগে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয় করুণাময়ী থেকে শুরু করে এসএসসি ভবন পর্যন্ত — সেখানে তারা মান্য প্রতিষ্ঠান সামনে মুহূর্তগুলো দশকের মতো স্থায়ীভাবে বিক্ষোভ চালায়
প্রতিবাদকারীরা ন্যায্যতার আকুতি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, সিবিআই সুপ্রিম কোর্টে যে তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে ১,২৫৫ জন গ্রুপ-সি ও ২,১৩৯ জন গ্রুপ-ডি শিক্ষাকর্মীর নাম নেই। তাই তাদের যোগ্য হিসেবে দেখতেই হবে, তবে কেন তাদের স্কুলে ফিরিয়ে নেওয়া হবে না? অবিলম্বে যোগ্য শিক্ষাকর্মীদের তালিকা ও ওএমআর শিট প্রকাশ করতে দাবি তোলা হয়। এক শিক্ষক অমিত মণ্ডল বলেন, “অযোগ্যদের তালিকা থেকে বাদ পড়া এই কর্মীদের সার্টিফায়েড কপি এসএসসি-র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। সঙ্গে একই সঙ্গে ২২ লক্ষ ওএমআর শিটও ব’লা হয়েছে।”exxqs-
পাল্টা সিদ্ধান্ত না পেয়ে, সকাল থেকেই বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও কর্মীরা রাত ৯টা পর্যন্ত এসএসসি ভবনের সামনে অবস্থান নেন। অনেকেই কথা বলছেন যে, এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার ১০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বললেও কোন বাস্তব সমাধান পাওয়া যায়নি। তাই পুনরায় সোমবার কথা বলার চেষ্টা হবে ।
শিক্ষাকর্মীরা আরও আশঙ্কা করছেন, হাই কোর্ট হয়তো ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিতে পারে, কারণ শিক্ষাফ্যাকাল্টিতে যোগ্য ও অযোগ্যদের মধ্যে পার্থক্য করেনি শিক্ষা বিভাগ। এক কর্মীর মন্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রী পারে ভবিষ্যতে বলবেন সরকার চেষ্টা করেছে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—আসলে কি চেষ্টা হয়েছিল?”
একাধিক শিক্ষক দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যোগ্য শিক্ষকদের ডিসেম্বার পর্যন্ত স্কুলে নিয়োগ দিতে, কারণ তাঁরা সরাসরি পাঠদানে যুক্ত। যদিও অনেকে সরাসরি পাঠদান না করলেও, স্কুলে সরকারি প্রকল্প ও প্রশাসনিক কাজের জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
দুপুর সাড়ে ১২টার সময়ে মিছিল শুরু হওয়ার পর হালকা বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিপাত উপেক্ষা করে তাঁরা দৃশ্যত দৃঢ় נחolohiya নিচ্ছেন—কতকটি থালা হাতে নিয়ে বসে থাকা শিক্ষাকর্মীরা জানান, “চার মাস ধরে বেতন বন্ধ। ভাতাও বন্ধ। অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।”
কলকাতার স্কুল সেবা কমিশনের সমালোচনায় এক সংবাদসূত্র জানিয়েছে, প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের পর বর্তমান বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে। প্রায় দুই মাস ধরেই আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে, রেলিংয়ে খাড়া অবস্থানে দুই কর্মী অনশনে বসার অভিযোগও উঠেছে ।
এই আন্দোলনে শিক্ষাকর্মীরা দাবি করছেন—যোগ্যদের তালিকা প্রদর্শন, বেতন ও ভাতা পুনঃস্থাপন এবং কমিশনের প্রতি স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা। তাঁদের বিশ্বাস, কথা বলার ঘর এখনও খোলা রয়েছে, তবে সরকারকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে এগিয়ে আসতে হবে।
“দেশের সম্মান আগে”— পাকিস্তানি অভিনেত্রীর সঙ্গে দিলজিতের কাজ নিয়ে মুখ খুললেন মিকা সিং