সিএবি-র মাটি বিতর্কে মুখ খুললেন সৌরভরা!
ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর পিচ তৈরির জন্য মাটি কেনা ও সরবরাহকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জবাব দিল রাজ্য ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। সিএবি স্পষ্ট জানিয়েছে, মাটি কেনা থেকে শুরু করে সরবরাহ— গোটা প্রক্রিয়াই সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।
সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে, সিএবি নাকি রাজ্য সরকারের অনুমোদিত (‘অথরাইজড’) ১২ জন ডিলারের তালিকাভুক্ত কোনও বিক্রেতার কাছ থেকে মাটি সংগ্রহ করেনি। যে বিক্রেতার কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে মাটি কেনা হয়েছে, তাঁর নাম সরকারি অনুমোদিত তালিকায় নেই বলেই অভিযোগ।
এই বিতর্কের জেরে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে সিএবি। সংস্থার দাবি, ২০১০ সাল থেকে গত ১৫ বছর ধরে তাদের অনুমোদিত মাঠ ও ক্রিকেট কেন্দ্রগুলিতে একই প্রতিষ্ঠিত বিক্রেতার কাছ থেকেই পিচ তৈরির মাটি সংগ্রহ করা হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে এবং প্রচলিত বাণিজ্যিক নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
সিএবি আরও জানিয়েছে, তারা যে বিক্রেতার কাছ থেকে মাটি সংগ্রহ করে, সেই বিক্রেতা ময়দানের আরও কয়েকটি ক্লাবকেও স্বাধীনভাবে মাটি সরবরাহ করেন। তবে ওই বিক্রেতা কোথা থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করছেন, তা সিএবি বা অন্য কোনও ক্লাবের তদারকির আওতায় পড়ে না। সেই কারণে অন্য ক্লাব বা বিক্রেতার উৎস নিয়ে কোনও মন্তব্য করার দায়ও তাদের নেই।
সংস্থার বক্তব্য, মাটি কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে এবং সমস্ত প্রশাসনিক বিধি অনুসরণ করা হয়েছে। রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে নীতি ও নির্দেশিকা নির্ধারণ করেছে, সেগুলি মেনে চলতে সিএবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই বিতর্কের আবহে সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন কার্যত সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছে, পিচ তৈরির জন্য মাটি সংগ্রহ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও অনিয়ম হয়নি এবং দীর্ঘদিন ধরে অনুসৃত প্রক্রিয়াই বজায় রাখা হয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?