সাজঘরে ঢুকেই চেয়ারে দাঁড়াতে বলেছিলেন যুবরাজ! ভারতীয় দলে প্রথম দিনের সেই মজার অভিজ্ঞতা শামির

সাজঘরে ঢুকেই চেয়ারে দাঁড়াতে বলেছিলেন যুবরাজ! ২০১৩ সালে ভারতীয় দলে অভিষেক। তার আগে জাতীয় দলের সাজঘরের পরিবেশ কেমন, তা কল্পনাও করতে পারেননি মহম্মদ শামি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিষেকের আগে প্রথম বার…

August 10, 2026
1 min read

সাজঘরে ঢুকেই চেয়ারে দাঁড়াতে বলেছিলেন যুবরাজ!

২০১৩ সালে ভারতীয় দলে অভিষেক। তার আগে জাতীয় দলের সাজঘরের পরিবেশ কেমন, তা কল্পনাও করতে পারেননি মহম্মদ শামি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিষেকের আগে প্রথম বার ভারতীয় দলের সাজঘরে ঢুকে রীতিমতো ঘাবড়ে গিয়েছিলেন তিনি। আর সেই প্রথম দিনেই যুবরাজ সিংহের মজার ‘পরীক্ষা’র মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে।

২০১৩ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক দিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয় শামির। জাতীয় দলের সাজঘরে প্রথম দিনের সেই স্মৃতি সম্প্রতি ভাগ করে নিয়েছেন ভারতীয় পেসার।

শামি জানান, প্রথম দিন সাজঘরের দরজা খুলে ভিতরে ঢুকেই চারদিকে বড় বড় তারকাদের দেখে চুপ করে এক জায়গায় বসে ছিলেন। তাঁর কথায়, “আমি তো জানতাম না, ভারতীয় দলের সাজঘরের পরিবেশ কেমন। ম্যাচের আগে সাজঘরে একটা মিটিং হত। প্রথম দিন দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কত বড় বড় সব খেলোয়াড় চার দিকে। আমি চুপ করে এক জায়গায় বসেছিলাম।”

কিন্তু বেশিক্ষণ চুপ করে থাকা সম্ভব হয়নি। নজরে পড়ে যান যুবরাজের। এর পরই শুরু হয় নতুন অভিজ্ঞতা।

যুবরাজের ‘পরীক্ষা’

শামি জানান, যুবরাজ তাঁকে চেয়ারের উপর দাঁড়াতে বলেন। কিছুটা ভয় পেলেও নির্দেশ মেনে চেয়ারে উঠে দাঁড়ান তিনি। এর পর যুবরাজ তাঁকে নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বলেন।

শামির কথায়, “যুবি ভাই বলল, চেয়ারের উপর উঠে দাঁড়াতে। প্রথমে একটু ভয় পেয়ে গেলেও দাঁড়ালাম। তার পর বলল কিছু বলতে। তখন কিছুই মাথায় আসছিল না। শুধু নাম ও ঠিকানা বলেছিলাম। আর কিছুই মনে করতে পারছিলাম না।”

তবে সেই অস্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ধীরে ধীরে সতীর্থদের সঙ্গে মানিয়ে নেন শামি এবং দলের পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন।

দলের সবচেয়ে মজার কে?

সতীর্থদের মধ্যে কে খুব দ্রুত সাজঘরের পরিবেশ হালকা করে দিতে পারতেন—এই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন শামি। তাঁর উত্তর, শিখর ধবন।

শামির মতে, ম্যাচের পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, শিখর সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। শুধু নিজে মজা করতেন না, তাঁর আচরণে বাকিদের মনও ভাল হয়ে যেত।

শামি একটি ম্যাচের পরের ঘটনা তুলে ধরেন। দল হেরে যাওয়ার পর যখন গোটা সাজঘরে মন খারাপ, তখন হঠাৎ জোরে জোরে হাসতে শুরু করেন শিখর। কেউ কারণ জানতে চাইলে তাঁর উত্তর ছিল, “কারণ, আমরা হেরে গিয়েছি।”

আর একটি ঘটনার কথাও জানান শামি। ম্যাচ হেরে সবাই যখন চুপচাপ বসে, তখন শিখর পঞ্জাবি গান চালিয়ে টেবিলের উপর উঠে নাচতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যায় সাজঘরের পরিবেশ।

শামির কথায়, খেলায় হার-জিত থাকবেই। কিন্তু কেউ যাতে হারের পরে সাজঘরে মন খারাপ করে বসে না থাকে, সে বিষয়টি শিখরের নজরে থাকত। তাই তাঁর দেখা সবচেয়ে মজার মানুষদের তালিকায় শিখর ধবনই সবার আগে।

জাতীয় দলে ফেরার অপেক্ষা

দীর্ঘ সময় ভারতীয় দলের বাইরে রয়েছেন শামি। ফের জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে নিজের কাজ করে যাচ্ছেন এই অভিজ্ঞ পেসার।

পূর্বাঞ্চলের হয়ে দলীপ ট্রফিতে খেলবেন শামি। ভারতের প্রাক্তন পেসার জাহির খানও তাঁকে নিজের কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর হাতে যা রয়েছে, সেটির উপরই মনোযোগ দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন জাহির।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *