শ্রেয়সের ঝড়ে ডুবল চেন্নাই!
২০০ রানের বেশি স্কোর—সাধারণত টি-টোয়েন্টিতে জয়ের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু শুক্রবার চিপকে সেই সমীকরণ বদলে দিল Punjab Kings। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তারা ৫ উইকেটে হারিয়ে দিল Chennai Super Kings-কে। ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারের মুখ দেখতে হল Ruturaj Gaikwad-এর দলকে।
শুরু ভালো, শেষটা হতাশার
প্রথমে ব্যাট করে চেন্নাই তোলে ২০৯/৫—একটা শক্তিশালী স্কোর। কিন্তু সেই রানও রক্ষা করতে পারল না দল। ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও ধারাবাহিকতা ছিল না।
সবচেয়ে বড় ধাক্কা—Sanju Samson-এর ব্যর্থতা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় রান এল না তাঁর ব্যাট থেকে। মাত্র ৭ রান করে ফিরতে হয় তাঁকে, যা দলের উপর চাপ বাড়িয়ে দেয়।
আয়ুষের লড়াই, কিন্তু একা কতক্ষণ?
এই চাপের মাঝেই লড়াইটা টেনে নিয়ে যান তরুণ Ayush Mhatre। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তিনি ম্যাচে প্রাণ ফেরান। পাওয়ার প্লে থেকেই বোলারদের উপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন।
রুতুরাজও শুরুতে সঙ্গ দিলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। মাঝের দিকে Shivam Dube-র ঝড়ো ব্যাটিং (অপরাজিত ৪৫) চেন্নাইকে ২০০ পার করায়। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এই স্কোর কি আরও বড় হতে পারত?
বোলিংই কাল হল চেন্নাইয়ের
আগের ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থ হয়েছিল, এ দিন ব্যর্থ বোলিং। চেন্নাইয়ের বোলাররা শুরু থেকেই ছন্দ খুঁজে পাননি। Khaleel Ahmed, Mathew Henry কিংবা অন্যরা—কেউই পঞ্জাবের ব্যাটারদের আটকাতে পারেননি।
শুরুতেই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় পঞ্জাব।
পঞ্জাবের আগ্রাসী জবাব
২১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝড় তোলেন পঞ্জাবের ওপেনাররা। দ্রুত রান তুলে চেন্নাইয়ের উপর চাপ বাড়িয়ে দেন। মাঝের দিকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন প্রভসিমরন ও কুপার কনোলি।
তবে ম্যাচের আসল নায়ক Shreyas Iyer। অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে দুর্দান্ত অর্ধশতরান করেন তিনি। মাত্র ২৯ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেই ম্যাচের ফল অনেকটা নিশ্চিত করে দেন।
ম্যাচের মোড় ঘোরার মুহূর্ত
পঞ্জাবের শুরুটা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, চেন্নাই কখনওই ম্যাচে পুরোপুরি ফিরতে পারেনি। উইকেট এলেও রান থামেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত আট বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় পঞ্জাব।
কী শিখল চেন্নাই?
এই ম্যাচ আবার প্রমাণ করল—টি-টোয়েন্টিতে শুধু বড় রান করলেই হয় না, সেটাকে রক্ষা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
চেন্নাইয়ের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চিন্তা বোলিং বিভাগ। পাশাপাশি বড় ম্যাচে সিনিয়র ব্যাটারদের দায়িত্ব নেওয়াও জরুরি।
শেষ কথা
আইপিএলের মতো প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। টানা দুই ম্যাচে হার চেন্নাইকে ভাবাচ্ছে নিশ্চয়ই। অন্যদিকে পঞ্জাবের আত্মবিশ্বাস এই জয়ে অনেকটাই বাড়বে।
এখন দেখার—পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না রুতুরাজের দল, নাকি এই হারের ধাক্কা আরও গভীর হয়।
শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না