শেষ বলের নাটকে রোমাঞ্চের বিস্ফোরণ! ডি ক্লার্কের ব্যাটে জমজমাট সূচনা মেয়েদের আইপিএলের

শেষ বলের নাটকে রোমাঞ্চের বিস্ফোরণ!! শুরুটা যে এতটা রোমাঞ্চকর হবে, তা হয়তো কেউ ভাবেনি। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ হয়ে গেল— এ বারের মেয়েদের আইপিএল দর্শকদের এক মুহূর্তও চোখ ফেরাতে দেবে…

January 10, 2026
1 min read

শেষ বলের নাটকে রোমাঞ্চের বিস্ফোরণ!!

শুরুটা যে এতটা রোমাঞ্চকর হবে, তা হয়তো কেউ ভাবেনি। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ হয়ে গেল— এ বারের মেয়েদের আইপিএল দর্শকদের এক মুহূর্তও চোখ ফেরাতে দেবে না। নবি মুম্বইয়ের ভরা গ্যালারির সামনে শেষ বলের চার, আর তাতেই উল্লাসে ফেটে পড়ল বেঙ্গালুরু শিবির। নাদিন ডি ক্লার্কের দুর্ধর্ষ ইনিংসে তিন উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল স্মৃতি মন্ধানার দল। অন্য দিকে, জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হল হরমনপ্রীত কৌরদের।

প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই তুলেছিল ১৫৪ রান, ৬ উইকেট হারিয়ে। স্কোরবোর্ডে রান খারাপ ছিল না, তবে বেঙ্গালুরুর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে এই রান তোলা সহজ হবে না— এমন ইঙ্গিত তখনই পাওয়া যাচ্ছিল। বিশেষ করে শুরুতেই লরেন বেলের সুইং বোলিং মুম্বইয়ের ব্যাটিংকে চাপে ফেলে দেয়। প্রথম ওভার মেডেন, তার পর অ্যামেলিয়া কেরকে বারবার অস্বস্তিতে ফেলে শেষ পর্যন্ত ফেরান তিনি। ন্যাট শিভার-ব্রান্ট দ্রুত ফিরতেই চাপ আরও বাড়ে মুম্বইয়ের উপর।

তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন হরমনপ্রীত কৌর ও জি কমলিনী। ছোট হলেও গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ওঠে। আসল ঝড়টা আসে ইনিংসের শেষ দিকে। সাজীবন সজনা ও নিকোলা ক্যারের ব্যাটে আচমকা গতি পায় মুম্বইয়ের রান। পঞ্চম উইকেটে তাঁদের ৮২ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সজনা ২৫ বলে ৪৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন, ক্যারেও সঙ্গ দেন সমানতালে।

১৫৫ রান তাড়া করতে নেমে বেঙ্গালুরু শুরুটা মন্দ করেনি। প্রথম উইকেটেই ৪০ রান ওঠে। কিন্তু ভাল শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি স্মৃতি কিংবা গ্রেস হ্যারিস। আচমকা উইকেট পড়তে পড়তে ৬৫ রানে ৫ উইকেট— তখন ম্যাচ কার্যত মুম্বইয়ের হাতেই বলে মনে হচ্ছিল।

ঠিক সেই জায়গা থেকেই শুরু হয় ডি ক্লার্কের গল্প। অরুন্ধতী রেড্ডির সঙ্গে ধীরে, ঠান্ডা মাথায় ইনিংস গড়েন তিনি। অকারণ ঝুঁকি না নিয়ে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়াই ছিল লক্ষ্য। অরুন্ধতী ফিরে যাওয়ার পর চাপ বেড়ে যায়, কিন্তু ডি ক্লার্ক মাথা ঠান্ডা রাখেন।

শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৮ রান। সামনে শিভার-ব্রান্ট। প্রথমে ছয়, তার পর আর এক ছয়— গ্যালারিতে তখন নিঃশ্বাস বন্ধ অবস্থা। শেষ বলে দরকার চার। ডি ক্লার্ক ব্যাট ঘুরিয়েই কাজ সেরে দেন। অপরাজিত ৬৩ রানের ইনিংসে তিনি শুধু ম্যাচই জেতাননি, মেয়েদের আইপিএলের চতুর্থ মরসুমের সূচনাকেও করে তুললেন স্মরণীয়।

ভিন্‌রাজ্যের ভোটারদের স্বস্তি: শুনানিতে হাজিরা নয়, অনলাইনেই জমা দেওয়া যাবে নথি

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *