শুটিং ফ্লোরে চড়, তারপর বিতর্ক: ঈশা-অমৃতা ঘটনার অন্তরালের গল্প

ঈশা-অমৃতা ঘটনার অন্তরালের গল্প! সিনেদুনিয়ার ঝলমলে আলোয় যেমন বন্ধুত্বের গল্প থাকে, তেমনই থাকে দ্বন্দ্ব আর উত্তেজনার মুহূর্তও। ঠিক তেমনই এক ঘটনা নিয়ে বহু বছর পরও আলোচনা থামেনি— যখন শুটিং সেটেই…

February 21, 2026
1 min read

ঈশা-অমৃতা ঘটনার অন্তরালের গল্প!

সিনেদুনিয়ার ঝলমলে আলোয় যেমন বন্ধুত্বের গল্প থাকে, তেমনই থাকে দ্বন্দ্ব আর উত্তেজনার মুহূর্তও। ঠিক তেমনই এক ঘটনা নিয়ে বহু বছর পরও আলোচনা থামেনি— যখন শুটিং সেটেই সহ-অভিনেত্রীকে চড় মেরেছিলেন Esha Deol। সেই ঘটনায় জড়িয়ে ছিলেন Amrita Rao, আর মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন মা Hema Malini।

ঘটনাটা কীভাবে ঘটেছিল?

সময়টা ২০০৫ সাল। ছবির নাম Pyare Mohan। ছবির শুটিং চলাকালীন আচমকাই দুই অভিনেত্রীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে ঈশা দাবি করেন, সেটে তাঁকে বারবার উত্যক্ত করছিলেন অমৃতা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে তিনি নাকি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অমৃতাকে সপাটে চড় মেরে বসেন।

ঈশার বক্তব্য ছিল স্পষ্ট— “কেউ যদি ভুল করে এবং কথা বলে সমাধান না হয়, তখন নিজের সম্মান রক্ষা করাই জরুরি।” তাঁর মতে, সেই মুহূর্তে তিনি অপমানিত বোধ করেছিলেন এবং সেটাই তাঁকে এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করে।

সেটে উপস্থিত ছিলেন কারা?

ঈশা জানিয়েছিলেন, ঘটনাটি ঘটে সকলের সামনে— পরিচালক Indra Kumar থেকে শুরু করে ইউনিটের অনেকেই তখন উপস্থিত ছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে হেনস্থার শিকার মনে করেছিলেন বলেই এমন প্রতিক্রিয়া দেন।

মায়ের প্রতিক্রিয়া: “বেশ করেছে”

এই ঘটনার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে হেমা মালিনীর প্রতিক্রিয়া। মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি সরাসরি বলেন— কেউ যদি ভালোভাবে কথা বুঝতে না চায়, তখন অন্য পথ নিতে হয়। অর্থাৎ, তিনি মেয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থনই করেছিলেন।

ঈশাও পরে হালকা মজা করে বলেন, “হাত আছে, প্রয়োজনে ব্যবহার করতেই হয়!”— এই মন্তব্য নিয়ে তখন বেশ চর্চা হয়।

পরে কী হয়েছিল?

ঘটনার পর অবশ্য পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়। অমৃতা প্রকাশ্যে আক্ষেপ জানিয়েছিলেন, আর পরে ঈশাও তাঁকে ক্ষমা করে দেন। সময়ের সঙ্গে সেই উত্তেজনা মুছে গেলেও ঘটনাটি বলিউডের অন্যতম আলোচিত ‘সেট-কনফ্লিক্ট’ হিসেবেই থেকে গেছে।

আজ কোথায় তাঁরা?

বর্তমানে দু’জনেই সিনেমার মূলধারা থেকে অনেকটাই দূরে। তবে এই ঘটনাটি এখনও আলোচনায় আসে, কারণ এটি দেখায়— ক্যামেরার সামনে হাসি থাকলেও, পর্দার পিছনে কখনও কখনও আবেগ কতটা তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

এই গল্প তাই শুধু এক চড়ের নয়— বরং আত্মসম্মান, আবেগ এবং শুটিং ফ্লোরের অদৃশ্য চাপেরও এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *