রিজ়ওয়ানের আবেদন খারিজ লাহৌর হাই কোর্টে!
লাহৌর হাই কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার মহম্মদ রিজ়ওয়ান। ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির জিজ্ঞাসাবাদকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন লাহৌর হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি আলিয়া নীলম। ফলে তদন্ত ঘিরে রিজ়ওয়ানের উপর চাপ আরও বাড়ল।
রিজ়ওয়ানের আইনজীবী কাজ়ি উমর আলি আদালতে দাবি করেন, তাঁর মক্কেলকে তদন্তকারী সংস্থার তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে পাকিস্তানে ফেরার পর সেই নোটিস দেওয়া হয়। তার আগে লন্ডনের একটি হোটেলে থাকাকালীন রিজ়ওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল বলে দাবি আইনজীবীর। তাঁর বক্তব্য, সেই সময় কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি।
আদালতে বিষয়টি শুনে প্রধান বিচারপতি জানতে চান, নোটিস যদি পাঠানো হয়ে থাকে, তা হলে তার জবাব দেওয়া উচিত। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, নোটিসটি কবে পাঠানো হয়েছিল। জবাবে রিজ়ওয়ানের আইনজীবী জানান, দেশে ফেরার পর তাঁকে নোটিস দেওয়া হয়।
রিজ়ওয়ানের আইনজীবীর আরও দাবি, লন্ডনের হোটেলে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, তাঁর মক্কেলের মোবাইল ফোন তিন ঘণ্টার জন্য নেওয়া হবে। কিন্তু সেই ফোন এখনও রিজ়ওয়ানের হাতে ফেরত দেওয়া হয়নি বলে আদালতে জানানো হয়।
তদন্তকারী সংস্থার এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজ়ওয়ানের আইনজীবী। তাঁর বক্তব্য, যদি রিজ়ওয়ানের বিরুদ্ধে গড়াপেটা বা দুর্নীতির কোনও অভিযোগ থাকে, তা হলে বিষয়টি আইসিসির দুর্নীতিদমন শাখার তদন্তের আওতায় পড়া উচিত। ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি কেন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, সেই প্রশ্নও তোলা হয়। আইনজীবী আরও দাবি করেন, রিজ়ওয়ানকে বেআইনি ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
তবে এই যুক্তিতে আদালত হস্তক্ষেপ করেনি। রিজ়ওয়ানের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় তদন্তের পথ আপাতত খোলা থাকল।
এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও তদন্তকারী সংস্থার রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে। চেয়ারম্যান মহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন বোর্ড রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর রিজ়ওয়ানের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা ঠিক করতে পারে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই তদন্তের সূত্র ধরে ইমাম-উল-হকের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে।
তবে তাঁদের ক্রিকেট কেরিয়ার শেষ হয়ে যাবে—এমন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তদন্তের রিপোর্টে কী তথ্য উঠে আসে এবং তার ভিত্তিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই এখন দেখার।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।