‘রাস্তায় নয়, আদালতে যান’! সিজেপি-র বিক্ষোভের সমালোচনায় রণবীর শৌরী

সিজেপি-র বিক্ষোভের সমালোচনায় রণবীর শৌরী! রাজনৈতিক দাবি আদায়ের জন্য বার বার রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখানোর বিরোধিতা করলেন অভিনেতা রণবীর শৌরী। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিজেদের দাবি জানানোর জন্য আদালত, সংসদ…

October 12, 2026
1 min read

সিজেপি-র বিক্ষোভের সমালোচনায় রণবীর শৌরী!

রাজনৈতিক দাবি আদায়ের জন্য বার বার রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখানোর বিরোধিতা করলেন অভিনেতা রণবীর শৌরী। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিজেদের দাবি জানানোর জন্য আদালত, সংসদ ও নির্বাচনের মতো একাধিক পথ খোলা রয়েছে। সেগুলি ব্যবহার না করে রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের জীবন ব্যাহত করা উচিত নয়। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এই মন্তব্য করেছেন অভিনেতা।

বিক্ষোভ নিয়ে কী বললেন রণবীর?

১১ অক্টোবর সমাজমাধ্যমে সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাসের একটি ভিডিয়ো ভাগ করে নেন রণবীর। ভিডিয়োয় সৌরভকে সাধারণ মানুষকে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাতে দেখা যায়। তার প্রতিক্রিয়ায় অভিনেতা প্রশ্ন তোলেন, গণতান্ত্রিক ও আইনি পথে দাবি জানানোর সুযোগ থাকলে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভের প্রয়োজন কোথায়?

রণবীরের বক্তব্য, সংসদ ও নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের সমর্থন প্রমাণ করা উচিত। আর কোনও সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থাকে অন্যায্য মনে হলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়াই গণতান্ত্রিক পদ্ধতি। তাঁর মতে, রাস্তা আটকে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলা এবং সরকারি পরিকাঠামো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থাকে অচল করে দেওয়াকে গণতন্ত্রের চর্চা বলা যায় না।

বিক্ষোভকে গণতন্ত্রে শেষ অবলম্বন হিসাবেই দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেন অভিনেতা। তাঁর দাবি, মতবিরোধ প্রকাশের অধিকার থাকলেও তার প্রয়োগ এমন হওয়া উচিত নয়, যাতে অন্যদের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়। আইনি প্রতিকারের পথ ব্যবহার না করে বার বার বিক্ষোভের মাধ্যমে অচলাবস্থা তৈরি করার প্রবণতারও সমালোচনা করেন তিনি।

বিচারব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্যের জবাব

রণবীরের পোস্টে এক নেটাগরিক দাবি করেন, ভারতের প্রধান বিচারপতিও আপস করে ফেলেছেন। সেই মন্তব্যের জবাবে অভিনেতা ব্যঙ্গের সুরে লেখেন, আপস করে নেওয়ার অভিযোগ যেন ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। তাঁর বক্তব্যে ভোটার, সংবাদমাধ্যম, সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর দফতর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং সুপ্রিম কোর্টের নামও উঠে আসে। শেষে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে অবিশ্বাস করা হলেও রাস্তায় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া দলগুলিকেই কেন বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করা হবে?

কেন বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি?

সিজেপি-র নেতৃত্বে রয়েছেন অভিজীত দিপকে। ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেছিল দলটি।

১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা ছিল তাদের। তার আগে মুম্বই থেকে দিল্লিতে পৌঁছোনোর পর বিমানবন্দরেই সিজেপি-র তিন নেতা— অভিজীত, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরও রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ চলতে থাকে।

সিজেপি-র বিক্ষোভ ঘিরে আটক ও প্রতিবাদের ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই রণবীরের মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু করেছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *