“যা বলার বলুক লোকে”— রণবীরকে নিয়ে কটাক্ষে ভ্রুক্ষেপ নেই সারার, নীরবতার কারণ জানালেন নায়িকা

রণবীরকে নিয়ে কটাক্ষে ভ্রুক্ষেপ নেই সারার! ‘ধুরন্ধর’ ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসতেই উত্তাল সমাজমাধ্যম। একদিকে রণবীর সিংহ, অন্যদিকে সারা অর্জুন— বয়সের ফারাক প্রায় ২০ বছর। এই ব্যবধানই চোখে লেগেছে বহু…

January 22, 2026
1 min read

রণবীরকে নিয়ে কটাক্ষে ভ্রুক্ষেপ নেই সারার!

‘ধুরন্ধর’ ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসতেই উত্তাল সমাজমাধ্যম। একদিকে রণবীর সিংহ, অন্যদিকে সারা অর্জুন— বয়সের ফারাক প্রায় ২০ বছর। এই ব্যবধানই চোখে লেগেছে বহু দর্শকের। কটাক্ষ, প্রশ্ন, সমালোচনায় ভরে উঠেছে নেটদুনিয়া। তবে এত কিছুর মাঝেও সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত সারা অর্জুন। অবশেষে নীরবতা ভেঙে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তিনি।

সম্প্রতি ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে সারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মানুষের মন্তব্যে তিনি একেবারেই বিচলিত নন। তাঁর কথায়, “যা খুশি ওরা বলুক। আমার তাতে কিছু যায় আসে না।” এই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্যেই যেন সব জল্পনায় ইতি টানলেন নায়িকা।

তবে প্রশ্ন উঠছে— এত দিন মুখ খুললেন না কেন? এই প্রসঙ্গে সারার ব্যাখ্যা বেশ সরল। তিনি বলেন, “ছবিমুক্তির আগে পর্যন্ত আমি সমাজমাধ্যম থেকে শত হাত দূরে ছিলাম। কী লেখা হচ্ছে, কে কী বলছে— কিছুই দেখিনি। ফলে এত আলোচনা হয়েছে, সেটাও আমি পরে জেনেছি।” তাঁর দাবি, এই কারণেই সমালোচনার কোনও প্রভাব তাঁর উপর পড়েনি।

শুধু তাই নয়, এই জুটি নিয়ে পরিচালক আদিত্য ধরের সিদ্ধান্তের পক্ষেও জোরাল সওয়াল করেছেন সারা। তাঁর মতে, “পরিচালক নিশ্চয়ই ভেবেছেন, এই জুটিই চিত্রনাট্যের জন্য সবচেয়ে মানানসই। দর্শকেরও পছন্দ হবে বলেই উনি আমাদের একসঙ্গে এনেছেন।” অর্থাৎ, বয়সের ব্যবধান নয়— গল্পের প্রয়োজনই এখানে মুখ্য, এমনটাই বিশ্বাস সারার।

আসলে সারাকে দর্শক এত দিন শিশুশিল্পী হিসেবেই দেখে এসেছে— কখনও বিজ্ঞাপনে, কখনও ছবিতে। হঠাৎ করেই তাঁকে রণবীর সিংহের মতো প্রতিষ্ঠিত তারকার বিপরীতে দেখে অনেকের চোখে লেগেছে। অভ্যস্ত ধারণা ভাঙতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কিন্তু সারা মনে করেন, অভিনয় মানে চরিত্রে মানিয়ে যাওয়া, বয়সের অঙ্ক মেলানো নয়।

সমাজমাধ্যম থেকে দূরে থাকা সারার কাছে নতুন কিছু নয়। এর নেপথ্যেও রয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত অভ্যাস। নায়িকা জানালেন, ছোটবেলা থেকে বোর্ডিং স্কুলে পড়াশোনা করেছেন তিনি, যেখানে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কোনও অনুমতি ছিল না। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ডুবে থাকার অভ্যাসই তৈরি হয়নি। পড়াশোনা শেষ হওয়ার পরেও সেই অভ্যাস বদলাননি সারা। খুব প্রয়োজন না পড়লে বা নিজের কাজের প্রচার ছাড়া সমাজমাধ্যমে তিনি ঢোকেন না বললেই চলে।

অবসর সময়ে কী করেন সারা? তাঁর উত্তরও বেশ সাদামাটা— কখনও বেড়াতে বেরিয়ে পড়েন, কখনও গান শোনেন। স্ক্রলিং নয়, বাস্তব জীবনেই স্বচ্ছন্দ তিনি।

সব মিলিয়ে সমালোচনার ঝড়েও সারা অর্জুনের অবস্থান পরিষ্কার— তিনি নিজের কাজ ও পরিচালকের বিশ্বাসেই আস্থা রাখেন। বাকিটা সময়ই ঠিক করে দেবে, দর্শক শেষ পর্যন্ত কী ভাবে গ্রহণ করেন ‘ধুরন্ধর’-এর এই আলোচিত জুটিকে।

‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *