মোহনবাগান এখন অতীত!!
footডার্বি মানেই আন্তোনিয়ো লোপেজ় হাবাসের নাম আলাদা করে উচ্চারিত হয়। মোহনবাগানের কোচ থাকাকালীন ডার্বিতে অপরাজিত ছিলেন তিনি। তবে এবার ছবিটা একেবারে অন্যরকম। সবুজ-মেরুন শিবির ছেড়ে এখন তিনি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে। তাই শনিবারের ডার্বির আগে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, মোহনবাগান এখন তাঁর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শুধুই ইস্টবেঙ্গল।
ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে হাবাস বলেন, “আমার মধ্যে কোনও নস্ট্যালজিয়া কাজ করছে না। মোহনবাগান ভালো দল, তাদের কোচও ভালো। কিন্তু এখন আমি শুধু ইস্টবেঙ্গলকে নিয়েই ভাবছি। শনিবার মাঠে নামব জেতার লক্ষ্য নিয়েই। মোহনবাগানের সমর্থকদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে, কিন্তু এখন ওরা আমার অতীত।”
তবে ম্যাচের আগে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার জায়গা প্রস্তুতির অভাব। স্প্যানিশ কোচের মতে, নতুন দলের সঙ্গে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময়ই পাননি। তিনি বলেন, “ফুটবলারদের ভালোভাবে চেনার সুযোগই হয়নি। মাত্র কয়েকটি অনুশীলনে কার কী শক্তি, কে কোন ভূমিকায় সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ— সব বোঝা সম্ভব নয়। তবে এটুকু বুঝেছি, এই দল লড়াই করতে জানে।”
হাবাস মনে করেন, একই সমস্যার মুখে রয়েছে প্রতিপক্ষ মোহনবাগানও। দুই দলই নতুন কোচের অধীনে খুব কম সময় অনুশীলন করেছে। ফলে এই ডার্বিতে কৌশলের পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তাও বড় ভূমিকা নেবে।
দলগঠন নিয়েও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ট্রান্সফার উইন্ডো এখনও শেষ হয়নি এবং আরও অন্তত দু’জন মানসম্পন্ন ভারতীয় ফুটবলারকে দলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে বর্তমান স্কোয়াডের উপরও আস্থা রয়েছে তাঁর। হাবাস বলেন, “আমরা প্রতিদিন নিজেদের উন্নত করার চেষ্টা করছি। আরও ভালো খেলাই এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”
ডার্বির আগে অবশ্য চোটের ধাক্কাও রয়েছে লাল-হলুদ শিবিরে। বরিস সিংহ এবং দানিশ ফারুক এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। হাবাস জানিয়েছেন, দু’জনেরই মাঠে ফিরতে আরও অন্তত ১৫ দিন সময় লাগবে। ফলে ডুরান্ড কাপের শেষ দিকেই তাঁদের পাওয়া যেতে পারে।
সব মিলিয়ে, অতীতের আবেগ সরিয়ে রেখে নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত হাবাস। পুরনো ক্লাবের বিরুদ্ধে প্রথম ডার্বিতে তাঁর একটাই লক্ষ্য— ইস্টবেঙ্গলকে জয়ের পথে ফেরানো।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?