‘মা হওয়া নয় মুখের কথা’, মন্দিরা বেদীর হৃদয়স্পর্শী যাত্রা

মন্দিরা বেদীর হৃদয়স্পর্শী যাত্রা! অভিনেত্রী ও সঞ্চালিকা মন্দিরা বেদী যেন সবার কাছে একজন সাহসী মা ও প্রেরণার উৎস। সম্প্রতি তিনি খোলামেলাভাবে জানালেন—একদিকে তাঁর জেনুইন সন্তানের (বীর), অন্যদিকে দত্তক মেয়ের (তারা)…

July 17, 2025
1 min read

মন্দিরা বেদীর হৃদয়স্পর্শী যাত্রা!

অভিনেত্রী ও সঞ্চালিকা মন্দিরা বেদী যেন সবার কাছে একজন সাহসী মা ও প্রেরণার উৎস। সম্প্রতি তিনি খোলামেলাভাবে জানালেন—একদিকে তাঁর জেনুইন সন্তানের (বীর), অন্যদিকে দত্তক মেয়ের (তারা) প্রতি একই পরিমাণ ভালোবাসা।

গত বুধবার এক পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্দিরা নিজেই বললেন, “সন্তান ধারণের পরিকল্পনা ছিল আগে থেকেই। আমি রাজ (স্বামী রাজ কৌশল)-কে বলেছিলাম, ‘একটি গর্ভের সন্তান, আর একটি দত্তক নেব’। রাজ সঙ্গে দিলেন; পরিবারের বাকিরাও সমর্থন করেছিলেন।”

বীর যখন মাত্র তিনের, তখন তারা সংসারে এসেছিল। মন্দিরা জানান, “দুই সন্তানকে নিয়ে যখন শুয়ে থাকি, মনে হয় সেটা যেন আকাশের উপর ভেসে থাকা স্বর্গসুখ।”

তবে এই বৃহত্তর বিশ্বাসও রয়েছে: “ভালবাসা কি রক্তের চেয়েও শক্তিশালী? এই প্রশ্ন নিয়েই অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীর ‘ডিয়ার মা’ সিনেমার গল্প তৈরি হয়েছে।” পরিচালক অনিরুদ্ধ জানিয়েছেন, “সন্তান দত্তকের প্রক্রিয়া, আবেগ—সবই ছবির গুরুত্বপূর্ণ দিক। ছবির নায়িকা জয়া আহসান যখন তৌরার সঙ্গে জড়ালেন, তখন তাঁর চোখই ভিজে উঠেছিল।”

মন্দিরা সামনেও কড়া প্রতিষ্ঠা রেখেছেন—“তারা আমার সন্তানের চেয়েও কম নয়। ভবিষ্যতে এমনি দুই শিশুর মধ্যে কোনো বিবাদ না হয়, তার জন্যই আগামী দিনের উইলে নির্দিষ্টভাবে ভাগ করে দিয়েছি। আমি চাই, শুধু নবজাতিই নয়, বড়দের দত্তকও নেওয়া উচিত। কেননা পৃথিবীকে শিশুদের বাসযোগ্য করে তুলতে আমাদেরই কাজ করতে হবে।”

মন্দিরার এই সিদ্ধান্ত এবং তার প্রকাশ সমাজে মাতৃত্ব ও দত্তক গ্রহণের ধ্যানকে নতুন আলো দিয়েছে। প্রতিটি মায়ের যে অনুভূতি, তার থেকে কম কিছু নয় মন্দিরার অভিজ্ঞতা। নিজের বিপরীতে দ্বিচ্চার না রেখে, মা হওয়ার যে অনুভূতি—সেটা স্রেফ ‘মুখে দাও কথায়’ নয়, বাস্তবিক করেই নানান রূপে উদযাপিত এক অমূল্য বোধ।

ভারতের নিজস্ব এআই-স্মার্টফোন ‘NxtQuantum OS’ উন্মোচন – স্বনির্ভরতা ও গোপনীয়তার প্রতিশ্রুত

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *