মায়ের শাড়ি, গয়না পরেই অঞ্জলি, পুজোর পাঁচ দিনে প্রেম জমেনি কখনও: পায়েল সরকার

পুজোর পাঁচ দিনে প্রেম জমেনি কখনও: পায়েল সরকার! ছোটবেলায় পুজোর আগমনী বার্তা যেন মিলত সূর্যের বদলে যাওয়া আলোয়। গড়িয়াহাটের কেনাকাটা, ধর্মতলার উপচে পড়া ভিড় আর নতুন জামাকাপড়ের আনন্দ—কলকাতার দুর্গাপুজোর স্মৃতিতে…

October 11, 2026
1 min read

পুজোর পাঁচ দিনে প্রেম জমেনি কখনও: পায়েল সরকার!

ছোটবেলায় পুজোর আগমনী বার্তা যেন মিলত সূর্যের বদলে যাওয়া আলোয়। গড়িয়াহাটের কেনাকাটা, ধর্মতলার উপচে পড়া ভিড় আর নতুন জামাকাপড়ের আনন্দ—কলকাতার দুর্গাপুজোর স্মৃতিতে আজও উজ্জ্বল সেই দিনগুলি। অভিনেত্রী পায়েল সরকারের কাছেও পুজো মানে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, মায়ের শাড়ি ও গয়নায় সাজা আর পুরনো দিনের নস্টালজিয়া।

পুজো মানেই আলো, আনন্দ আর পরিবারের সঙ্গে সময়

মহালয়া পেরোলেই পায়েলের মনে হয়, পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। ছোটবেলায় এই সময় স্কুলে ছুটি পড়ত। বন্ধুদের সঙ্গে এক মাস দেখা হবে না ভেবে মন খারাপ হলেও পুজোর আনন্দ সেই কষ্ট ভুলিয়ে দিত। চারদিকে আলোয় সেজে ওঠা শহরকে তখন নতুন করে চিনতেন তিনি। সেই উৎসবের আবহ আজও তাঁর মন ভাল করে দেয়।

কাজের ব্যস্ততায় এখন ষষ্ঠী পর্যন্ত অনেকটা সময় কেটে যায় পুজোর উদ্বোধনে। বাকি সময়টা নিজের আবাসনের পুজোতেই পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ করে কাটাতে পছন্দ করেন পায়েল। খুব বেশি প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখার শখ তাঁর নেই। বরং বাড়ির কাছের মানুষদের সঙ্গে আড্ডা, খাওয়াদাওয়া আর হইহুল্লোড়েই পুজোর আনন্দ খুঁজে পান তিনি।

অষ্টমীতে সিল্ক শাড়ি, সঙ্গে মায়ের গয়না

পুজোর সাজে শাড়ির প্রতি পায়েলের বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। অষ্টমীতে মা-বাবার সঙ্গে অঞ্জলি দিতে যাওয়ার ইচ্ছা এ বারও রয়েছে তাঁর। সেই দিন সিল্ক শাড়ির সঙ্গে থাকবে মায়ের গয়না। কোন দিন কোন শাড়ি পরবেন, তা অবশ্য অনেকটাই নির্ভর করে মনের মর্জির উপর।

হ্যান্ডলুম ও শিফন—দুই ধরনের শাড়িই পছন্দ তাঁর। সংগ্রহে রয়েছে সিল্ক ও মসলিনও। গয়নার ক্ষেত্রে সোনা ও হিরের প্রতি তাঁর আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। তবে মায়ের গয়নাই বেশি পরতে ভালবাসেন অভিনেত্রী।

গড়িয়াহাটের কেনাকাটায় ফিরে যায় মন

ছোটবেলায় মা ও দিদার সঙ্গে পুজোর কেনাকাটা করতে যাওয়ার স্মৃতি এখনও মনে পড়ে পায়েলের। ধর্মতলা কিংবা গড়িয়াহাটের ভিড় ঠেলে জামাকাপড় কেনার মধ্যে ছিল অন্য রকম আনন্দ। বাড়িতে শাড়ি বিক্রি করতে মহিলাদের আসা, নতুন বিছানার চাদর কেনা, ঘর পরিষ্কার করা, এমনকি কখনও বাড়িতে রং করানোর ব্যস্ততাও ছিল পুজোর প্রস্তুতির অঙ্গ।

এখন সারা বছরই অনলাইনে কেনাকাটা করা যায়। তাই ছোটবেলার সেই বিশেষ উত্তেজনা আর আগের মতো অনুভব করেন না তিনি। পুরনো দিনের কথা ভাবলে নস্টালজিক হয়ে পড়েন অভিনেত্রী।

অষ্টমীর খিচুড়ি-লুচি, আর অধরাই পুজোর প্রেম

পায়েলের ছোটবেলার পুজোয় খাবারেরও বিশেষ জায়গা ছিল। অষ্টমীতে বাড়িতে নিরামিষ খাওয়ার চল ছিল। পাতে থাকত খিচুড়ি ও লুচি। সপ্তমী কিংবা নবমীতে পরিবারের সঙ্গে রেস্তোরাঁয় খেতে যাওয়াও ছিল উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ।

তবে পুজোর সঙ্গে প্রেমের গল্প কখনও জড়িয়ে ওঠেনি পায়েলের জীবনে। পাঁচ দিনের জন্য প্রেম করার অভিজ্ঞতা তাঁর হয়নি বলেই জানালেন অভিনেত্রী। বরাবর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই অঞ্জলি দিয়েছেন, এ বারও তার ব্যতিক্রম হবে না। তাঁর কাছে দুর্গাপুজোর আসল আনন্দ তাই প্রেমের নতুন গল্পে নয়, বরং পরিবার, পুরনো স্মৃতি আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *