মণিপুরের
এই ঘটনায় নিহতরা ছিলেন এক মেইতেই পরিবারের সদস্য। কয়েকদিন আগে তাদের অপহরণ করে হত্যার অভিযোগ ওঠে কুকি জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। নিহতদের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর, ঘটনা আরও আতঙ্কজনক হয়ে ওঠে।
দু’বছরের শিশুর শরীরে পাওয়া গিয়েছে গুলির ক্ষত, তার মাথায় গুলি করা হয়েছিল এবং একটি চোখ উপড়ানো হয়েছিল। শিশুটির শরীরে আরও কয়েকটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতও ছিল, যা তার বুকে এবং হাতে ছিল। শিশুটির মায়ের শরীরেও তিনটি গুলির ক্ষত পাওয়া গেছে, তাছাড়া দিদিমার শরীরেও পাঁচটি গুলি পাওয়া গেছে—একটি মাথায়, দুটি বুকে, একটি পেটে এবং একটি হাতে।
এই পরিবারের তিন সদস্যের, এক মহিলা, আট বছরের একটি কন্যা এবং আট মাসের একটি শিশুর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।
এর আগে, ১১ নভেম্বর কুকি জঙ্গিরা জিরিবামের থানা আক্রমণ করেছিল এবং একই সময়ে তারা ওই পরিবারের ওপর হামলা চালায় বলে অনুমান করছে তদন্তকারীরা। এই পরিবারের সদস্যরা গত বছর মণিপুরের হিংসায় নিজেদের বাড়ি হারিয়ে জিরিবামের একটি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাদের অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ।
কুকি জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মণিপুর রাজ্য সরকার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) এই মামলাটি খতিয়ে দেখছে।