বিহারে নতুন অধ্যায়: নীতীশের ইস্তফার পর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সম্রাট চৌধরি

নীতীশের ইস্তফার পর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সম্রাট চৌধরি! বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সূচনা হল। দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন নীতীশ কুমার। আর তাঁর ইস্তফার পরই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে…

April 15, 2026
1 min read

নীতীশের ইস্তফার পর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সম্রাট চৌধরি!

বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সূচনা হল। দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন নীতীশ কুমার। আর তাঁর ইস্তফার পরই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হল সম্রাট চৌধরি-র নাম। এই প্রথম বিহারে বিজেপির কোনও নেতা মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসলেন।

মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন নীতীশ। তারপরই তিনি রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন। রাজনৈতিক মহলে আগে থেকেই জল্পনা ছিল, তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় ইতি টেনে শাসক জোটের তরফে সম্রাটের নামেই সিলমোহর পড়ে।

গত কয়েক বছর ধরেই শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন নীতীশ। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি, সক্রিয় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে বেশি মনোনিবেশ করার কথাও জানান। সেই মতো গত ৫ মার্চ তিনি ঘোষণা করেন যে, তিনি রাজ্যসভা-র সদস্য হচ্ছেন। এরপর ১০ এপ্রিল সাংসদ হিসেবে শপথও গ্রহণ করেন।

জেডিইউ নেতৃত্ব অবশ্য স্পষ্ট করেছে, নীতীশ মুখ্যমন্ত্রীর পদে না থাকলেও তাঁর প্রভাব ও দিকনির্দেশনা আগামীতেও বজায় থাকবে। দলের তরফে জানানো হয়েছে, বিহারের উন্নয়নমূলক নীতিগুলি আগের মতোই চালু থাকবে এবং নতুন সরকারও সেই পথেই এগোবে।

নীতীশের ইস্তফার পর মুখ্যমন্ত্রী পদে বিজেপির কাউকে আনা হবে, তা কার্যত নিশ্চিত ছিল। কারণ, শাসক জোটে বিজেপিই বৃহত্তম শরিক। সেই দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন সম্রাট চৌধরি, যিনি আগের মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। অবশেষে তাঁর হাতেই রাজ্যের শাসনভার তুলে দেওয়া হল।

রাজনৈতিক সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। পাশাপাশি, উপমুখ্যমন্ত্রী পদে নীতীশ কুমারের পুত্র নিশান্ত কুমারের নামও আলোচনায় রয়েছে, যদিও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।

নীতীশ কুমারের রাজনৈতিক যাত্রা দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ। বিহার বিধানসভার বিধায়ক হিসেবে শুরু করে তিনি পরে লোকসভায় গিয়েছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন, এবং শেষ পর্যন্ত প্রায় দু’দশক ধরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর ইস্তফার মাধ্যমে এক যুগের অবসান ঘটল, আর শুরু হল নতুন এক রাজনৈতিক অধ্যায়।

সব মিলিয়ে, বিহারের রাজনীতিতে এই পরিবর্তন শুধু নেতৃত্বের বদল নয়—এটি আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনার উপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *