নাস্তিক বলেন বলিউডের এই আট পরিচিত মুখ!
‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু’—এই প্রবাদ যেমন বহু মানুষের জীবনের পথনির্দেশক, তেমনই আবার অনেকের কাছে যুক্তি ও বিজ্ঞানই শেষ কথা। ঈশ্বর, ধর্ম বা আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাস না রেখেও যে জীবনবোধ, নৈতিকতা আর মানবিকতা বজায় রাখা যায়—এই ধারণায় বিশ্বাসী এমন মানুষও কম নন। বলিউডেও এমন বেশ কয়েকজন তারকা রয়েছেন, যাঁরা খোলাখুলিই নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেন।
চলুন দেখে নেওয়া যাক, কারা তাঁরা এবং কেন এই বিশ্বাসে অটল—
জন আব্রাহাম
ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় আচারে অনীহা জনের। মাত্র চার বছর বয়সে তাঁর বাবা তাঁকে শিখিয়েছিলেন—ভাল মানুষ হতে হলে মন্দিরে যেতেই হবে, এমন কোনও কথা নেই। জন ঈশ্বরে বিশ্বাস না রাখলেও আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাসী। তবে সেখানে কোনও ধর্মীয় ছাপ নেই।
ফাতিমা সানা শেখ
নিজেকে স্পষ্ট ভাবেই নাস্তিক বলে পরিচয় দেন ফাতিমা। ইসলাম ধর্মাবলম্বী পরিবারে জন্ম হলেও কোনও ধর্মীয় আচারে তাঁকে দেখা যায় না। তবে তিনি বিশ্বাস করেন কর্মফলে—ভাল কাজের ফল ভালই হয়, এই দর্শনেই আস্থা তাঁর।
রাহুল বসু
অভিনেতা নিজেই একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী নন। তবে যাঁরা বিশ্বাস করেন, তাঁদের প্রতি তাঁর সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, বিশ্বাস ব্যক্তিগত বিষয়, তা নিয়ে কাউকে বিচার করা উচিত নয়।
রামগোপাল বর্মা
ভৌতিক ও অতিলৌকিক বিষয় নিয়ে ছবি বানালেও বাস্তবে তিনি যুক্তিবাদী। নিজেকে নাস্তিক বলেই পরিচয় দেন। বিজ্ঞান আর যুক্তি ছাড়া অন্য কিছুর উপর বিশ্বাস করেন না বলেই স্পষ্ট জানিয়েছেন পরিচালক।
ইলিয়ানা ডি’ক্রুজ়
উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ইলিয়ানা নিজেকে নাস্তিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁকে কখনও প্রকাশ্যে ধর্মীয় আচার পালন করতে বা ধর্মীয় স্থানে যেতে দেখা যায়নি।
ফারহান আখতার
বাবা জাভেদ আখতার ঘোষিত নাস্তিক। সেই পথেই হেঁটেছেন ফারহান। তাঁর কথায়, পরিবারে কখনও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল না। তাই ঈশ্বরে বিশ্বাস গড়ে ওঠেনি তাঁর।
অমোল পালেকার
এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি সম্পূর্ণ ভাবে নাস্তিক। ঈশ্বর বা কোনও অতিলৌকিক শক্তির অস্তিত্বে তাঁর বিশ্বাস নেই।
রজত কপূর
রজতের মতে, ঈশ্বর মানুষের তৈরি এক ধারণা। মানুষের সুবিধা এবং নিয়ন্ত্রণের জন্যই এই ধারণার জন্ম। স্বর্গ-নরক বা ঈশ্বর—কোনও কিছুর অস্তিত্বেই বিশ্বাস করেন না তিনি।
এই তারকারা প্রমাণ করেন, ঈশ্বরে বিশ্বাস না রাখলেও মানবিকতা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে কোনও ঘাটতি থাকে না। বিশ্বাস হোক বা অবিশ্বাস—শেষ পর্যন্ত সেটাই ব্যক্তিগত পছন্দ।
‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা