বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বোস্টনে বিয়ারের সংকট!
বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রত্যাবর্তন যেন উৎসবের আবহ তৈরি করেছে। প্রায় ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ এবং ৩৬ বছর পর টুর্নামেন্টে জয়— এই দ্বৈত আনন্দে ভাসছেন হাজার হাজার স্কটিশ সমর্থক। দলের পাশে দাঁড়াতে প্রায় ১০ হাজার সমর্থক পৌঁছে গিয়েছেন Boston-এ, আর তাঁদের উচ্ছ্বাসের জেরে স্থানীয় পাবগুলিতে দেখা দিয়েছে বিয়ারের অভাব।
শহরের বিভিন্ন পাব ও বারে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় করছেন Scotland-এর সমর্থকেরা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, সাধারণত এক সপ্তাহের জন্য যে পরিমাণ বিয়ার মজুত রাখা হয়, তার বেশির ভাগই মাত্র চার দিনের মধ্যে বিক্রি হয়ে গিয়েছে। ফলে নতুন করে জরুরি ভিত্তিতে সরবরাহ বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।
এক জনপ্রিয় পাবের জেনারেল ম্যানেজার বিলি ডিকেইন জানান, তিন দশকেরও বেশি সময় ব্যবসা করার অভিজ্ঞতায় এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি। তাঁর কথায়, স্কটল্যান্ড দল বোস্টনে পৌঁছনোর পর থেকেই বিয়ারের চাহিদা হু হু করে বেড়েছে। আপাতত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গেলেও সপ্তাহান্তে সরবরাহে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
বিয়ার উৎপাদক সংস্থাগুলিও জানিয়েছে, এ বছরের বিক্রির পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে। সাধারণত ৪ জুলাইয়ের ছুটির সময় যে পরিমাণ বিয়ার বিক্রি হয়, তার চার গুণেরও বেশি বিক্রি হয়েছে মাত্র কয়েক দিনে। চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়ানো হলেও পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জিং।
তবে এই অতিরিক্ত চাপ নিয়ে খুব একটা অভিযোগ নেই ব্যবসায়ীদের। বরং বিশ্বকাপের সৌজন্যে ব্যবসা জমে ওঠায় খুশি তাঁরা। বোস্টনের মেয়র Michelle Wu-ও স্কটিশ সমর্থকদের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, তাঁরা শুধু ফুটবলের প্রতি আবেগই দেখাচ্ছেন না, স্থানীয় মানুষদের সঙ্গেও আন্তরিকভাবে মিশে যাচ্ছেন এবং শহরটিকে নিজের বাড়ির মতো আপন করে নিয়েছেন।
বিশ্বকাপের উত্তেজনা যত বাড়ছে, ততই বোস্টনের পাবগুলিতে বিয়ারের চাহিদাও বাড়ছে। স্কটল্যান্ড যদি পরের ম্যাচেও জয় পায়, তা হলে শহরের পানীয় ব্যবসায় আরও বড় উত্থান দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?