বর্ষায় গরম না ঠান্ডা—কোন জলে স্নান করলে ত্বক থাকবে ভাল? চিকিৎসকের পরামর্শে জানুন সঠিক নিয়ম

বর্ষায় গরম না ঠান্ডা! বর্ষার আবহাওয়া কখনও ঠান্ডা, কখনও আবার ভ্যাপসা গরম। ফলে স্নানের সময় অনেকেরই দ্বিধা হয়—গরম জলে স্নান করবেন, নাকি ঠান্ডা জলে? চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, অতিরিক্ত গরম বা…

August 20, 2026
0 min read

বর্ষায় গরম না ঠান্ডা!

বর্ষার আবহাওয়া কখনও ঠান্ডা, কখনও আবার ভ্যাপসা গরম। ফলে স্নানের সময় অনেকেরই দ্বিধা হয়—গরম জলে স্নান করবেন, নাকি ঠান্ডা জলে? চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, অতিরিক্ত গরম বা কনকনে ঠান্ডা—দুই ধরনের জলই এড়িয়ে চলা ভাল। বরং এই সময়ে ঈষদুষ্ণ জল বেছে নেওয়াই বেশি আরামদায়ক ও ত্বকের জন্য উপযোগী হতে পারে।

অতিরিক্ত গরম জলে কী সমস্যা?

বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার পর গরম জলে স্নান করলে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। কিন্তু জল খুব গরম হলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা কমে যেতে পারে। এর ফলে ত্বক শুষ্ক, লালচে বা চুলকানিযুক্ত হয়ে উঠতে পারে। যাঁদের ত্বক সংবেদনশীল, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

চুলের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহার না করাই ভাল। এতে চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে রুক্ষতা বাড়তে পারে।

ঠান্ডা জল কি সব সময় ভাল?

ভ্যাপসা আবহাওয়ায় ঠান্ডা জল শরীরকে মুহূর্তে সতেজ করে। তবে বর্ষায় হঠাৎ কনকনে ঠান্ডা জল ব্যবহার করলে অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে বৃষ্টিতে ভিজে শরীর ঠান্ডা হয়ে থাকলে আচমকা খুব ঠান্ডা জল ব্যবহার না করাই ভাল।

আর ঘাম, তেল ও ময়লা পরিষ্কারের জন্য শুধু ঠান্ডা জলের উপর নির্ভর না করে উপযুক্ত সাবান বা বডি ওয়াশ ব্যবহার করাও জরুরি।

তাহলে কোন জল সবচেয়ে ভাল?

ঈষদুষ্ণ জল বেছে নেওয়াই বর্ষায় সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি। অর্থাৎ জল যেন খুব গরমও না হয়, আবার ঠান্ডাও না হয়। এতে শরীর আরাম পায় এবং ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতাও অতিরিক্ত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

বর্ষায় স্নানের ৩ সহজ নিয়ম

অভ্যাসকী করবেন
🌡️ জলের তাপমাত্রাঈষদুষ্ণ জল ব্যবহার করুন
⏱️ স্নানের সময়প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে রাখুন
🧴 স্নানের পরত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজ়ার লাগান

বৃষ্টিতে ভিজে গেলে বাড়ি ফিরে দীর্ঘক্ষণ ভেজা পোশাকে না থেকে শুকনো পোশাক পরুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করতে পারেন।

তবে জ্বর, ত্বকের সংক্রমণ বা অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা থাকলে শুধু জলের তাপমাত্রা বদলেই চিকিৎসা করার চেষ্টা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *