ফ্লু-সোয়াইন ফ্লুর বাড়বাড়ন্ত, বছরে কোন টিকা নেবেন? বয়স ও অসুখভেদে জেনে নিন

ফ্লু-সোয়াইন ফ্লুর বাড়বাড়ন্ত আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে বাড়ছে নানা ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ। জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথার মতো উপসর্গ নিয়ে অনেকেই ভুগছেন। ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণকেই সাধারণ ভাবে ‘ফ্লু’ বলা হয়। বর্তমানে…

September 14, 2026
1 min read

ফ্লু-সোয়াইন ফ্লুর বাড়বাড়ন্ত

আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে বাড়ছে নানা ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ। জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথার মতো উপসর্গ নিয়ে অনেকেই ভুগছেন। ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণকেই সাধারণ ভাবে ‘ফ্লু’ বলা হয়। বর্তমানে ইনফ্লুয়েঞ্জার বিভিন্ন প্রজাতির পাশাপাশি সোয়াইন ফ্লু নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তাই সংক্রমণ হলে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি আগে থেকেই প্রতিরোধের বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অকারণে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার বদলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা সংক্রমণের গুরুতর জটিলতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ইনঅ্যাক্টিভেটেড ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন (IIV):
ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া এই টিকা ইনফ্লুয়েঞ্জার বিভিন্ন প্রজাতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা তৈরি করতে পারে। বার বার সর্দি-কাশিতে ভোগেন, হাঁপানি বা সিওপিডি রয়েছে কিংবা অন্য কোনও দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই টিকা নিতে পারেন।

লাইভ অ্যাটেনুয়েটেড ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন:
এটি নাকে স্প্রে করে দেওয়া হয় এবং দুর্বল করা ভাইরাস ব্যবহার করে তৈরি। তবে এটি সকলের জন্য উপযুক্ত নয়। শিশুদের নির্দিষ্ট বয়সে ব্যবহার করা গেলেও অন্তঃসত্ত্বা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন ব্যক্তি এবং কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় ভোগা মানুষের ক্ষেত্রে এটি এড়ানো হয়। তাই নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।

রিকম্বিন্যান্ট ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন:
১৮ বছর বা তার বেশি বয়সিদের জন্য এই ধরনের টিকা ব্যবহার করা যায়। ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি এই ভ্যাকসিনও ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া হয়। অ্যালার্জি বা ফুসফুসের সমস্যায় ভোগা এবং বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক পরিস্থিতি বুঝে এই টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন।

নিউমোনিয়ার টিকা:
ফ্লুর পাশাপাশি নিউমোকক্কাল সংক্রমণ থেকেও সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। নিউমোকক্কাল কনজুগেট ভ্যাকসিন বা PCV শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্য দিকে, PPSV নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দেওয়া হতে পারে, বিশেষত বয়স বেশি হলে বা সিওপিডি, হাঁপানি কিংবা অন্য কোনও দীর্ঘস্থায়ী অসুখ থাকলে।

তবে কোন টিকা কখন নিতে হবে, কত ডোজ প্রয়োজন এবং একাধিক টিকা একসঙ্গে নেওয়া যাবে কি না—এসব বিষয় বয়স, শারীরিক অবস্থা ও পূর্বের টিকাকরণের ইতিহাসের উপর নির্ভর করে। তাই নিজে থেকে টিকা বেছে না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। বিশেষ করে শিশু, অন্তঃসত্ত্বা, বয়স্ক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা আরও জরুরি।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *