ফিফার পাওয়ার র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে মেসি, দ্বিতীয় এমবাপে; ৭৪ নম্বরে রোনাল্ডো, পিছিয়ে থাকার কারণ কী?

ফিফার পাওয়ার র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে মেসি! চলতি ফুটবল বিশ্বকাপে শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নয়, ফুটবলারদের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও মূল্যায়ন শুরু করেছে ফিফা। নতুন চালু হওয়া ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’-এ এখন পর্যন্ত সবার উপরে…

June 30, 2026
1 min read

ফিফার পাওয়ার র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে মেসি!

চলতি ফুটবল বিশ্বকাপে শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নয়, ফুটবলারদের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও মূল্যায়ন শুরু করেছে ফিফা। নতুন চালু হওয়া ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’-এ এখন পর্যন্ত সবার উপরে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিয়োনেল মেসি। অন্যদিকে, মাত্র দুই গোল করা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো রয়েছেন তালিকার ৭৪ নম্বরে।

বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক ছয়টি গোল করেছেন মেসি। তাঁর পরেই রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হালান্ড এবং ভিনিসিয়াস জুনিয়র, যাঁদের প্রত্যেকের ঝুলিতে রয়েছে চারটি করে গোল। তবে শুধু গোলের সংখ্যা নয়, খেলোয়াড়দের সামগ্রিক অবদান বিবেচনা করেই এই র‌্যাঙ্কিং তৈরি করছে ফিফা।

এই বিশেষ সূচকে ফুটবলারদের তিনটি প্রধান বিভাগে মূল্যায়ন করা হচ্ছে— আক্রমণ, সৃজনশীলতা এবং রক্ষণ। গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে গোল বাঁচানোর দক্ষতার ভিত্তিতে নম্বর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ম্যাচের পারফরম্যান্স অনুযায়ী এই স্কোর পরিবর্তিত হয় এবং সেই হিসাবেই তৈরি হয় সামগ্রিক র‌্যাঙ্কিং।

মেসি আক্রমণে পেয়েছেন ৮.৪৯, সৃজনশীলতায় ৬.৫৫ এবং রক্ষণে ৫.১৭ নম্বর। সব মিলিয়ে তাঁর মোট স্কোর ২০.২১। এমবাপের মোট স্কোর সামান্য বেশি, ২০.২৫ হলেও আক্রমণভাগে মেসির নম্বর বেশি হওয়ায় তাঁকেই শীর্ষস্থান দেওয়া হয়েছে। কারণ, দু’জনই মূলত ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেন এবং এই তালিকায় আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্সকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জার্মানির ডেনিজ উন্ডাভ। যদিও রাউন্ড অব ৩২-এ প্যারাগুয়ের কাছে জার্মানির বিদায়ের পর তিনি এক ধাপ নেমে গিয়েছেন। প্রথম দশে আরও রয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের জোহান মানজাম্বি ও রুবেন ভারগাস, ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে, ব্রাজিলের ভিনিসিয়াস জুনিয়র, নরওয়ের আর্লিং হালান্ড, নিউজিল্যান্ডের ইলিজা জাস্ট এবং নেদারল্যান্ডসের ক্রিসেন্সিয়ো সামারভিল।

অন্যদিকে, রোনাল্ডোর অবস্থান ৭৪ নম্বরে। আক্রমণে তিনি পেয়েছেন ৫.৮২, সৃজনশীলতায় ৫.০৬ এবং রক্ষণে ৪.৭৭ নম্বর। সব মিলিয়ে তাঁর মোট স্কোর ১৫.৬৫। যদিও একটি ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন, বাকি ম্যাচগুলোতে তাঁর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম ছিল। যেহেতু এই র‌্যাঙ্কিং পুরো ম্যাচে একজন ফুটবলারের সামগ্রিক অবদান বিচার করে তৈরি হয়, তাই গোল করলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের অভাবে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন পর্তুগিজ তারকা।

তবে এই তালিকা স্থায়ী নয়। প্রতিটি ম্যাচের পর ফুটবলারদের স্কোর নতুন করে হিসাব করা হচ্ছে। ফলে আগামী ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলে রোনাল্ডোর মতো ফুটবলারদেরও দ্রুত উপরে ওঠার সুযোগ রয়েছে। বিশ্বকাপ যত এগোবে, ততই বদলাতে থাকবে এই পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *