প্রেমের দৃশ্যে যাওয়ার আগে এক প্লেট পেঁয়াজ খেতেন সুনীল দত্ত! সায়রা বানুর স্মৃতিতে এক মজার কাণ্ড

প্রেমের দৃশ্যে যাওয়ার আগে এক প্লেট পেঁয়াজ খেতেন সুনীল দত্ত! হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক রুচিশীল, মার্জিত এবং সম্মানিত নায়ক—সুনীল দত্ত। আর তাঁর পাশে ছিলেন আশির দশকের পর্দা কাঁপানো…

May 26, 2025
1 min read

প্রেমের দৃশ্যে যাওয়ার আগে এক প্লেট পেঁয়াজ খেতেন সুনীল দত্ত!

হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক রুচিশীল, মার্জিত এবং সম্মানিত নায়ক—সুনীল দত্ত। আর তাঁর পাশে ছিলেন আশির দশকের পর্দা কাঁপানো রূপসী অভিনেত্রী সায়রা বানু। দু’জনের জুটি বিশেষত ‘পড়োশন’ ছবিতে দর্শকের মন জিতে নিয়েছিল। কিন্তু সেই ছবির প্রেমের দৃশ্যের আগে এক অদ্ভুত কাজ করতেন সুনীল—এক প্লেট পেঁয়াজ খেতেন! কেন?

বন্ধুত্বের গাঢ় বন্ধন আর রসিকতার এক অদ্ভুত মিশেল

সায়রা বানু নিজেই জানিয়েছেন, সুনীল দত্ত এবং দিলীপ কুমার ছিলেন একে অপরের প্রাণের বন্ধু। তাঁদের মধ্যে এতটাই সখ্য ছিল যে, ঘন্টার পর ঘণ্টা আড্ডা চলত। তবে সুনীল দত্ত শুধু ভালো বন্ধু নন, ছিলেন এক অসাধারণ রসিক মানুষও। তাঁর মাথায় প্রায় সব সময় কিছু না কিছু দুষ্টু বুদ্ধি খেলা করত।

‘নহলে পে দহেলা’—প্রেমের দৃশ্য আর পেঁয়াজের গল্প

১৯৬৮ সালে ‘পড়োশন’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার পর, ১৯৭৬ সালে ‘নহলে পে দহেলা’ ছবিতে ফের একবার রোমান্টিক জুটিতে দেখা যায় সায়রা-সুনীলকে। ছবিতে প্রেমের দৃশ্য শ্যুট হওয়ার আগে হঠাৎই পেঁয়াজ খাওয়ার নেশা ধরেন সুনীল দত্তের। সায়রা বলেন, “প্রেমের দৃশ্য শ্যুট করার আগে হঠাৎ বলতেন—‘এক প্লেট পেঁয়াজ দাও, এখন প্রেম করব তো!’”

এতেই বোঝা যায়, সুনীলের রসিকতা ছিল একেবারে ছেলেমানুষির মতো সরল, কিন্তু চরম উপভোগ্য। এই আচরণ ছিল নিছক মজা করার জন্য, যাতে সবাই একটু হাসতে পারে, পরিবেশ হালকা হয়।

সহ অভিনেতা হিসেবে মনে পড়ে যায় সুনীলকে

সায়রা বলেন, “উনি খুব দুষ্টু ছিলেন, কিন্তু একজন অসাধারণ মানুষ। এই মজাগুলো করলেও সহ অভিনেতা হিসেবে ভীষণ সহযোগী ছিলেন।” আজও পুরনো দিনগুলোর কথা মনে পড়লে, সুনীল দত্তের স্মৃতি সায়রার মুখে হাসি ফোটায়। তিনি বলেন, “ওঁর মতো মানুষ খুব কম দেখা যায়। বন্ধুত্ব, সহানুভূতি আর হাস্যরস—সব একসঙ্গে পাওয়া যেত সুনীলের মধ্যে।”

উপসংহার

সিনেমার পেছনের গল্পগুলো অনেক সময় সিনেমার চেয়েও বেশি রঙিন আর জীবন্ত হয়। সুনীল দত্তের এই ‘পেঁয়াজ কাণ্ড’ যেমন প্রমাণ করে—একজন অভিনেতার কাজ শুধু সংলাপ বলা বা ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো নয়, সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক, পরিবেশ হালকা রাখা আর কাজটাকে আনন্দময় করে তোলাও শিল্পেরই অংশ। আজও এই স্মৃতি আমাদের হাসায়, ভাবায়, আর জানিয়ে দেয় এক অনন্য অভিনেতার ব্যক্তিত্বের অনবদ্য দিক।

‘দেশি অস্ত্রেই জয়ের গল্প’ — ‘মন কি বাত’-এ মোদীর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সাফল্য তুলে ধরা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *