পটলের একঘেয়েমি কাটাতে বানান সুস্বাদু ‘পটল বাহার’!
গরমকাল থেকে পুজো পর্যন্ত বাঙালির রান্নাঘরে পটলের দাপট লেগেই থাকে। আলু-পটলের তরকারি, মাছের ঝোলে পটল কিংবা পটল ভর্তা— সবই খেতে ভালো, কিন্তু একই ধরনের রান্না বারবার খেতে খেতে একঘেয়েমি আসাই স্বাভাবিক। সেই একঘেয়েমি কাটাতে আজই বানিয়ে দেখতে পারেন মুগডাল দিয়ে তৈরি অভিনব পদ ‘পটল বাহার’। সামান্য কয়েকটি উপকরণেই তৈরি এই নিরামিষ পদ গরম ভাতের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
- ৪টি পটল
- আধ কাপ মুগডাল (১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা)
- আধ ইঞ্চি আদা বাটা
- ২–৩টি কাঁচালঙ্কা
- ১ চা-চামচ জিরে
- ১টি তেজপাতা
- ১ চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো
- ১ চা-চামচ লঙ্কার গুঁড়ো
- ১টি ছোট টমেটো কুচি
- ১ টেবিল চামচ ঘি
- ১ চা-চামচ গরম মশলা
- স্বাদমতো নুন
- স্বাদমতো চিনি
- পরিমাণমতো সর্ষের তেল
কী ভাবে বানাবেন
প্রথমে পটলের খোসা হালকা ছাড়িয়ে খাঁজ কেটে নিন। চাইলে মাঝখান থেকে দু’টুকরোও করতে পারেন। নুন ও হলুদ মাখিয়ে অল্প তেলে হালকা ভেজে তুলে রাখুন।
এবার কড়াইয়ে তেল ও সামান্য ঘি গরম করে জিরে, তেজপাতা এবং চেরা কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিন। এরপর আদা বাটা ও টমেটো কুচি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।
মসলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে ভিজিয়ে রাখা মুগডাল দিয়ে কয়েক মিনিট নেড়ে নিন। তারপর নুন, হলুদ ও লঙ্কার গুঁড়ো মিশিয়ে সামান্য গরম জল দিয়ে ডাল সেদ্ধ হতে দিন।
ডাল অর্ধেক সেদ্ধ হয়ে এলে ভাজা পটল কড়াইয়ে দিয়ে আলতো করে মিশিয়ে দিন। প্রয়োজন হলে আরও সামান্য জল দিন। শেষে স্বাদমতো চিনি দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন।
ডাল ও পটল ভালোভাবে মিশে গেলে ওপর থেকে ঘি এবং গরম মশলা ছড়িয়ে আঁচ বন্ধ করে দিন।
পরিবেশন
গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুগন্ধি পটল বাহার। মুগডালের হালকা মিষ্টি স্বাদ আর পটলের নরম টেক্সচারের এই সহজ নিরামিষ পদ রোজকার মেনুতে এক নতুন বৈচিত্র এনে দেবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?