নিজের দেশের ম্যাচ ছেড়ে প্রেমিকার সঙ্গে আমেরিকার খেলা দেখতে! সমালোচনার মুখে জাস্টিন ট্রুডো

সমালোচনার মুখে জাস্টিন ট্রুডো! কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো আবারও শিরোনামে। তবে এ বার রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং ফুটবল বিশ্বকাপ এবং তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ককে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। নিজের দেশের…

June 15, 2026
1 min read

সমালোচনার মুখে জাস্টিন ট্রুডো!

কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো আবারও শিরোনামে। তবে এ বার রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং ফুটবল বিশ্বকাপ এবং তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ককে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। নিজের দেশের ম্যাচে উপস্থিত না থেকে পপ তারকা কেটি পেরির সঙ্গে আমেরিকার ম্যাচ দেখতে যাওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে একই দিনে মাঠে নেমেছিল কানাডা এবং আমেরিকা। কানাডার প্রতিপক্ষ ছিল মরক্কো, অন্য দিকে আমেরিকা খেলছিল প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে। সময়ের ব্যবধান কম থাকায় দুই ম্যাচে একসঙ্গে উপস্থিত থাকা কার্যত অসম্ভব ছিল। সেই পরিস্থিতিতে ট্রুডো যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটাই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।

অনেকেই আশা করেছিলেন, কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজের দেশের ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন এবং ফুটবলারদের উৎসাহ দেবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, তিনি গ্যালারিতে বসে আমেরিকার খেলা উপভোগ করছেন। তাঁর পাশেই ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পপ গায়িকা কেটি পেরি।

গত কয়েক মাস ধরেই ট্রুডো এবং কেটি পেরির সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা চলছিল। সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও দু’জনের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি, তবু তাঁদের একসঙ্গে ম্যাচ দেখতে আসা সেই গুঞ্জনকে আরও উসকে দিয়েছে।

কিন্তু প্রেমের চেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ট্রুডোর সিদ্ধান্ত। কানাডার বহু ফুটবল সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তির কি নিজের দেশের ম্যাচকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত ছিল না? সামাজিক মাধ্যমে অনেকে সরাসরি তাঁর দেশপ্রেম নিয়েও কটাক্ষ করেছেন।

কেউ লিখেছেন, “কানাডা খেলছে, আর তিনি আমেরিকার গ্যালারিতে!” আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, “প্রধানমন্ত্রী না হলেও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা তো থাকা উচিত।” অনেকেই অবশ্য মজার ছলে বলেছেন, ট্রুডো এ দিন ‘দায়িত্বশীল প্রেমিকের’ ভূমিকাই পালন করেছেন।

মাঠের ফলাফলও আলোচনায় এসেছে। কানাডা নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পায়নি। মরক্কোর বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে তারা। অন্য দিকে আমেরিকা দুর্দান্ত ফুটবল খেলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে প্যারাগুয়েকে হারিয়েছে। ফলে ট্রুডো যে ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন, সেখানে অন্তত গোলের খরা ছিল না।

তবে সমালোচনার ঝড় সত্ত্বেও ট্রুডো এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তিনি সচেতনভাবেই বিতর্ক এড়িয়ে চলছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বকাপের আবেগঘন পরিবেশে নিজের দেশের ম্যাচে অনুপস্থিত থেকে প্রেমিকার দেশের খেলা দেখতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত যে বহু কানাডীয় সমর্থকের ভালো লাগেনি, তা স্পষ্ট।

ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারির ঘটনাও মাঝে মাঝে বড় খবর হয়ে ওঠে। জাস্টিন ট্রুডোর এই সিদ্ধান্ত তারই আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকল।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *