নভেম্বরেই আংটিবদল সাহেব-সুস্মিতার?
টলিপাড়ায় সাহেব ভট্টাচার্য এবং সুস্মিতা দে-র সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা নতুন নয়। প্রকাশ্যে তাঁরা এখনও নিজেদের সম্পর্কের কথা স্পষ্ট করে ঘোষণা করেননি। আবার সেই সম্পর্কের সম্ভাবনাও সরাসরি উড়িয়ে দেননি। এরই মধ্যে নতুন গুঞ্জন—নভেম্বরেই নাকি আংটিবদল সারতে পারেন সাহেব ও সুস্মিতা। সত্যিই কি এমন কোনও পরিকল্পনা রয়েছে?
বর্তমানে দু’জনেই নিজেদের ধারাবাহিকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সাহেব বেশ কিছু দিন আগেই ‘গঙ্গা’ ধারাবাহিকে কাজ শুরু করেছেন। অন্য দিকে সুস্মিতাও ‘তিলোত্তমা’র শুটিংয়ে ব্যস্ত। ফলে কাজের চাপের মধ্যে ব্যক্তিগত জীবনের বড় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আদৌ মিলছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।
নভেম্বরে আংটিবদলের খবর নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে অবশ্য সুস্মিতার উত্তর বেশ স্পষ্ট। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখনই তাঁদের এমন কোনও পরিকল্পনা নেই। তাঁর কথায়, এর আগেও তাঁদের আংটিবদল এবং বিয়ের খবর ছড়িয়েছে। এবারও সেই একই ধরনের আলোচনা সামনে এসেছে। কিন্তু আপাতত তাঁরা কোনও কিছুই চূড়ান্ত করেননি।
সুস্মিতার বক্তব্য অনুযায়ী, ধারাবাহিকের শুটিং নিয়েই এই মুহূর্তে দু’জনের ব্যস্ততা তুঙ্গে। তাই বিয়ে বা আংটিবদলের মতো বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা করার অবকাশও নেই। অর্থাৎ নভেম্বরের আংটিবদলের জল্পনায় আপাতত সিলমোহর দিলেন না অভিনেত্রী।
সাহেব এবং সুস্মিতার পরিচয় অবশ্য অভিনয়ের সূত্রেই। ‘কথা’ ধারাবাহিকের সেটেই তাঁদের প্রথম আলাপ। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে সেই সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে টলিপাড়ায় কানাঘুষো। সময়ের সঙ্গে তাঁদের পারিবারিক ঘনিষ্ঠতার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।
সাহেবের পরিবারের সঙ্গেও সুস্মিতার ভালো সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। এমনকি সাহেবের বোনের সঙ্গে একসঙ্গে দীপাবলি উদ্যাপন করতেও তাঁকে দেখা গিয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
তবে এখনও পর্যন্ত সাহেব বা সুস্মিতা কেউই আনুষ্ঠানিক ভাবে তাঁদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি। তাই নভেম্বরের আংটিবদলের খবর আপাতত জল্পনাতেই সীমাবদ্ধ। সময়ই বলবে, এই জল্পনা শেষ পর্যন্ত সত্যি হয় কি না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।