ধোঁয়া-দূষণ এড়ালেই নয়, পাতে রাখুন এই ৭ খাবার, ভাল থাকবে ফুসফুসও

ধোঁয়া-দূষণ এড়ালেই নয়! ফুসফুস ভাল রাখতে ধূমপান এড়ানো, দূষণ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকা কিংবা সংক্রমণ থেকে সতর্ক থাকার কথা আমরা প্রায়ই শুনি। কিন্তু প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গেও যে ফুসফুসের স্বাস্থ্যের…

September 27, 2026
1 min read

ধোঁয়া-দূষণ এড়ালেই নয়!

ফুসফুস ভাল রাখতে ধূমপান এড়ানো, দূষণ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকা কিংবা সংক্রমণ থেকে সতর্ক থাকার কথা আমরা প্রায়ই শুনি। কিন্তু প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গেও যে ফুসফুসের স্বাস্থ্যের সম্পর্ক রয়েছে, সে দিকে অনেকেরই নজর থাকে না। শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি, শক্তি এবং পেশির কার্যক্ষমতা বজায় রাখতেও সুষম খাবার গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে দীর্ঘদিন ফুসফুসের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের শ্বাস নেওয়ার সময় পেশিকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। ফলে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে দুর্বলতা বাড়তে পারে। আবার অতিরিক্ত ওজনও সব সময় ভাল নয়। পেটে বেশি মেদ জমলে বুকের উপর চাপ পড়ে শ্বাস নিতে অস্বস্তি হতে পারে। অতিরিক্ত নুন শরীরে জল ধরে রাখার প্রবণতা বাড়িয়ে কিছু ফুসফুসের সমস্যায় শ্বাসকষ্ট বাড়াতেও পারে।

তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং পর্যাপ্ত জল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। কোন খাবারগুলি রাখতে পারেন?

১. ফ্যাটযুক্ত মাছ

স্যালমন, সার্ডিন বা অন্যান্য তৈলাক্ত মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। তাই সুষম খাদ্যতালিকায় এই ধরনের মাছ রাখা উপকারী।

২. রসুন

রসুনে থাকা অ্যালিসিন-সহ বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিয়মিত রান্নায় পরিমাণমতো রসুন ব্যবহার করা তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

৩. সবুজ শাক

পালং, মেথি বা সর্ষে শাকের মতো শাকে থাকে ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। শরীরের সামগ্রিক পুষ্টি ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে এগুলির ভূমিকা রয়েছে।

৪. আদা

সর্দি বা গলা খুসখুস করলে আদা-চা খাওয়ার চল বহু পুরনো। আদায় থাকা কিছু যৌগ প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। ডাল, তরকারি বা চায়ের সঙ্গে পরিমাণমতো আদা খাওয়া যায়।

৫. ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল

কমলালেবু, পাতিলেবু, পেয়ারা, আমলকি-সহ বিভিন্ন ফলে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। এগুলি শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সমর্থন করে। বিভিন্ন রঙের ফল খেলে একাধিক ধরনের উদ্ভিজ্জ পুষ্টি পাওয়া যায়।

৬. হলুদ

ভারতীয় রান্নার পরিচিত মশলা হলুদে রয়েছে কারকিউমিন। এর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা হয়েছে। ডাল বা তরকারিতে পরিমাণমতো হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে হলুদ কোনও ফুসফুসের রোগের চিকিৎসা নয়।

৭. পর্যাপ্ত প্রোটিন ও জল

ফুসফুসের পাশাপাশি শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে যুক্ত পেশিগুলির শক্তি বজায় রাখতেও প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ। ডাল, ডিম, মাছ, দুধ বা অন্যান্য উপযুক্ত প্রোটিনের উৎস খাদ্যতালিকায় রাখা যায়। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত জল পান করাও জরুরি।

তবে কোনও একটি খাবার খেলেই ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ বা নিরাময় হয়ে যায়—এমন দাবি ঠিক নয়। ধূমপান এড়ানো, দূষণ থেকে সুরক্ষা, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাসই ফুসফুসের যত্নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *