‘দ্য থার্ড আই’: প্রত্যেক নারীর মধ্যেই লুকিয়ে আছেন মা দুর্গা, নারী সুরক্ষার শক্তিশালী বার্তা নিয়ে এল ‘ভি-গার্ড’

‘দ্য থার্ড আই’! দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে নারী শক্তি ও সুরক্ষার গভীর বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্সের শীর্ষস্থানীয় সংস্থা ‘ভি-গার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’। তাদের নতুন ব্র্যান্ড ফিল্ম ‘দ্য থার্ড আই’…

September 28, 2025
1 min read

‘দ্য থার্ড আই’!

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে নারী শক্তি ও সুরক্ষার গভীর বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্সের শীর্ষস্থানীয় সংস্থা ‘ভি-গার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’। তাদের নতুন ব্র্যান্ড ফিল্ম ‘দ্য থার্ড আই’ সমাজকে মনে করিয়ে দেয়, প্রত্যেক নারীর ভেতরেই রয়েছেন মা দুর্গা— শক্তি, সাহস ও আত্মরক্ষার প্রতীক। প্রযুক্তির উপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে, নারী নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকেরই নেওয়া উচিত — এই ভাবনাই ফুটে উঠেছে ফিল্মটির কেন্দ্রে।

এই অনন্য ডিজিটাল ব্র্যান্ড ফিল্মটির শুরুটা বেশ অভিনব। দর্শকের সামনে আসে একটি কাল্পনিক প্রযুক্তি ‘ভি-গার্ড ৩আই আইওয়্যার’— এমন এক স্মার্ট চশমা, যা অপরাধীর মুখ চিনে ফেলতে পারে, হয়রানির ঘটনাকে রেকর্ড করে এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে সতর্ক করে দেয়। দেখা যায়, এক মহিলা এই চশমা পরে রাস্তায় হাঁটছেন, আর কোনও ব্যক্তি অসামাজিক আচরণ করলে চশমাটি সঙ্গে সঙ্গে তাকে শনাক্ত করছে।

কিন্তু ফিল্মের শেষে এসে চমক অপেক্ষা করছে। আসলে এই চশমা বাস্তবে নেই— এটি একটি রূপক, একটি প্রতীক। নির্মাতাদের উদ্দেশ্যই ছিল এই বার্তাটি দেওয়া যে নারী সুরক্ষার দায়িত্ব শুধুমাত্র প্রযুক্তির কাঁধে চাপিয়ে দিলে চলবে না। প্রত্যেক নারীকেই নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা “তৃতীয় চক্ষু” বা আত্মরক্ষার শক্তিকে জাগ্রত করতে হবে।

দেবী দুর্গা শুধু একটি দেবতার প্রতিমা নন, তিনি সাহস, শক্তি ও রক্ষার প্রতীক। সমাজের প্রতিটি নারীই সেই শক্তির ধারক। তাই ব্র্যান্ড ফিল্মটি বলছে — দেবীকে কেবল মন্দিরে পুজো না করে, তাঁকে খুঁজে নিতে হবে প্রতিটি নারীর মধ্যেই। নারীর প্রতি সম্মান ও নিরাপত্তাই দেবীর প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা।

এই প্রসঙ্গে ‘ভি-গার্ড’-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ব্র্যান্ড ও কমিউনিকেশন) নন্দগোপাল নায়ার বলেন,
“দুর্গাপূজা আমাদের শেখায় আলো অন্ধকারকে জয় করে, শুভ অশুভকে পরাজিত করে। কিন্তু দেবীর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা প্রকাশ পায় শুধুমাত্র আচার-অনুষ্ঠানে নয়, বরং আমরা নারীদের কতটা মর্যাদা ও সুরক্ষা দিই, তার মধ্য দিয়েই। ‘ভি-গার্ড থার্ড আই’ কোনও পণ্য নয়, এটি সমাজের সামনে ধরা একটি আয়না, যা আমাদের জিজ্ঞেস করে— আমাদের ঘর, রাস্তা এবং কর্মক্ষেত্র কি সত্যিই নারীদের জন্য নিরাপদ?”

ফিল্মটির লক্ষ্য কেবল নারীদের আত্মরক্ষার বার্তা দেওয়া নয়, সমাজকেও নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তোলা। নারী নিরাপত্তা শুধু পুলিশের বা সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং সমাজের প্রতিটি মানুষকেই এই দায়িত্ব নিতে হবে — এই ভাবনাই ‘দ্য থার্ড আই’-এর মূল বার্তা।

এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে আরও ছড়িয়ে দিতে ‘ভি-গার্ড’ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, যাতে তাঁদের মাধ্যমেই বার্তাটি আরও বড় পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছায়।

‘দ্য থার্ড আই’ আমাদের মনে করিয়ে দেয়— প্রতিটি নারীর মধ্যে আছেন একেকজন দুর্গা। তাঁকে ভয় না পেয়ে, তাঁকে শ্রদ্ধা করে, তাঁর শক্তিকে চিনে নিলে সমাজ আরও নিরাপদ ও সুন্দর হবে। নারী নিরাপত্তা কোনও বিশেষ পণ্যের মাধ্যমে নয়, বরং আমাদের সচেতনতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দিয়েই নিশ্চিত করা সম্ভব — এই গভীর বার্তাই রেখে যায় এই শক্তিশালী ব্র্যান্ড ফিল্ম।

‘কত ওয়াইন খেয়েছি, স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি’ — মৃত্যুকে এত কাছ থেকে দেখে কী ভাবছিলেন সইফ আলি খান

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *