দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াল দক্ষিণ আফ্রিকা!
বিশ্বকাপে বাঁচার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল চেকিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা নিয়ে মাঠে নামা দুই দলের কেউই শেষ পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখতে পেল না। ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে প্রথমার্ধে চেকিয়ার দাপট থাকলেও, বিরতির পর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে নজর কাড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা।
শুরুতেই এগিয়ে চেকিয়া
ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলছিল Czech Republic national football team। তার ফলও মেলে দ্রুত। ম্যাচের মাত্র ছয় মিনিটে লম্বা থ্রো-ইন থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে বল পান আলেকজান্ডার সোজকা। তাঁর পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন Michal Sadilek।
গোলের পর আরও কিছুক্ষণ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রেখেছিল চেকিয়া। তবে দ্বিতীয় গোলের জন্য প্রয়োজনীয় আগ্রাসন দেখা যায়নি তাদের খেলায়। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকাও প্রথমার্ধে খুব বেশি ঝুঁকি নেয়নি। তারা মূলত পাল্টা আক্রমণের উপর ভরসা রেখেছিল। ফলে ম্যাচে উত্তেজনার অভাব ছিল এবং দুই দলই সীমিত সংখ্যক সুযোগ তৈরি করতে পেরেছিল।
বিরতির পর বদলে গেল ম্যাচের ছবি
দ্বিতীয়ার্ধে সম্পূর্ণ অন্য রূপে দেখা যায় South Africa national football team-কে। শুরু থেকেই তারা আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়ে দেয়। মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর পাশাপাশি উইং ব্যবহার করে বারবার চেকিয়ার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।
চেকিয়া ধীরে ধীরে নিজেদের অর্ধে সরে যেতে বাধ্য হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার একের পর এক আক্রমণে রক্ষণভাগ ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি হলেও গোল আসছিল না।
শেষ মুহূর্তে সমতা
ম্যাচের শেষ দিকে চাপ আরও বাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই চাপের ফলও মেলে। বক্সের ভিতরে চেকিয়ার মিডফিল্ডার Pavel Sulc-এর হাতে বল লাগায় পেনাল্টি দেন রেফারি।
স্পট-কিক থেকে কোনও ভুল করেননি অধিনায়ক Teboho Mokoena। তাঁর সফল শটেই সমতায় ফেরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট তুলে নেয়।
এখনও বেঁচে দুই দলের স্বপ্ন
এই ড্রয়ের ফলে কোনও দলই পরের রাউন্ডে যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারেনি। তবে আশা পুরোপুরি শেষও হয়নি। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা আটটি দলও নক-আউট পর্বে জায়গা পেতে পারে।
ফলে চেকিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা— দুই দলই এখনও নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে রেখেছে। এখন সব নজর তাদের শেষ গ্রুপ ম্যাচের দিকে। সেখানে জয়ই হতে পারে দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?