দূর গ্রহে জেমস ওয়েবের ‘ডাবিং’! ট্রানজিট পদ্ধতিতে কেমন খুঁজে পাওয়া যায় এক্সোপ্ল্যানেট

দূর গ্রহে জেমস ওয়েবের ‘ডাবিং’! ২০২৫-এর জুনে নতুন এক গ্রহের খোঁজ দিল নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ—এটি ফেলা ‘TWA 7b’, যা পৃথিবী থেকে ১১০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত অ্যান্টলিয়া নক্ষত্রপুঞ্জে। এর চিত্র সরাসরি…

June 28, 2025
1 min read

দূর গ্রহে জেমস ওয়েবের ‘ডাবিং’!

২০২৫-এর জুনে নতুন এক গ্রহের খোঁজ দিল নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ—এটি ফেলা ‘TWA 7b’, যা পৃথিবী থেকে ১১০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত অ্যান্টলিয়া নক্ষত্রপুঞ্জে। এর চিত্র সরাসরি পাওয়া গেছে—সেটাও ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা, কারণ সৌরজগতের বাইরের গ্রহের ছবি সরাসরি দেখাটাই এখনো বিরল।

তবে এক্সোপ্ল্যানেট (সৌরজগতের বাইরের গ্রহ) খুঁজতে বিজ্ঞানীরা যে পদ্ধতি ব্যবহার করেন, তার নাম ‘ট্রানজিট মেথড’। এটি এক ধরনের পরোক্ষ আবিষ্কার, যা যুক্ত করে:


⭐ ট্রানজিট মেথড কী?

যখন কোনও গ্রহ তার নক্ষত্রের সামনের পথ অতিক্রম করে, তখন তার ছায়ায় নক্ষত্রের আলো সাময়িকভাবে নীরস হয়ে পড়ে। তার মানে, টেলিস্কোপে একটা ছোট ডিপ দেখা যায়—এটা transitturn0search0।

  • নিচু এবং সংবেদনশীল photometric সেন্সর দিয়ে এই ডিপ শনাক্ত হয়। ছোট গ্রহ হলেও আলোর অভিকমনের মাধ্যমে শনাক্তযোগ্য।
  • যেমন সৌরজগতেও পঞ্চগ্রহ transit-এ অংশ নেয়—মার্স ও ভেনাস এগিয়ে গেলে সূর্যের আলো কিছুটা ম্লান হয়, Transit দেখায়।

🌌 Transit জানাচ্ছে কী কী তথ্য?

  1. কক্ষপথ ও অবস্থিতি
    ডিপ যতক্ষণ থাকে, গ্রহ নক্ষত্রের চারপাশে কক্ষপথের সময়কাল অনুমান করা যায়।
  2. গ্রহের আকার
    আলো কতটা কমেছে—তার ভিত্তিতে গ্রহের ব্যাসার্ধ হিসাব হয়। Transit depth ∝ (গ্রহ/নক্ষত্র)’s areaturn0search11turn0search4।
  3. বায়ুমণ্ডলের গঠন
    নক্ষত্রীয় আলো গ্রহের বায়ুমণ্ডলে ঢুকে প্রতিফলিত বা শোষিত হলে, বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে ডিপের স্টাইলে সমুদ্ররঙ্গের মতো পরিবর্তন দেখা যায়। এতে নিশ্চিত হয়, বায়ুমণ্ডলে কী উপাদান রয়েছেturn0image8turn0search8।

📸 সরাসরি ছবি — ট্রানজিট নয়, ইমেজিং

TWA 7b এই গ্রহের ছবি ডাইরেক্ট ইমেজিং পদ্ধতিতে পাওয়া গেছে—নাসার টেলিস্কোপে বিশেষ Coronagraph ব্যবহারে। অন্য সাধারণ গ্রহ থেকে এটি আলাদা, কারণ সাধারণTransit-এ ছবি না থাকার কারণ—গ্রহ নিজে আলো না ছড়ায়, বরং শুধু ছায়া ফেলে।


🚀 ছোট কিছু পদ্ধতি

  • Radial velocity method: গ্রহ তার দিকেই বা উল্টো দিকে টেনে নক্ষত্রকে লাল-নীল শিফটে প্রবণ করে—শব্দচ্যুতি মাপা হয়।
  • Microlensing: বড় বস্তু আলোর পথ বাঁকায়—এই ঝাপটি দেখে গ্রহের অস্তিত্ব বোঝা যায়।
  • Transit timing variation: এক গ্রহ transit-এ অন্যটি বাধা দিলে সময়ে বিচ্যুতি হয়ে যায়—তাও ইঙ্গিত দেয়।

🔭 জেমস ওয়েব-এ কী সম্ভাবনা?

‌Transit পদ্ধতিতে ১৯৯০–এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫,৯০০ এক্সোপ্ল্যানেট সনাক্ত—এর প্রায় ৯৮% ট্রানজিট মেথডে। শুধু ২% সরাসরি ছবি পাওয়া গেছে। TWA 7b–এর ক্ষেত্রে প্রথম হালকা বস্তু, যা স্যাটার্ন–সমান আকারেও সরাসরি চিত্র পাওয়া গেছে—বিজ্ঞানীদের বড় অগ্রগতি

Transit ছাড়াও JWST–এর Infrared Spectrograph দিয়ে WASP-39 b প্ল্যানেটের বায়ুমণ্ডলে CO₂, পানির উপাদান পাওয়া গেছে। ভবিষ্যতে আরও ছোট ‘রকি’ বা ‘আর্থ-লাইক’ গ্রহ শনাক্তের লক্ষ্যে ট্রানজিট ও ইমেজিং একসাথে কাজ করছে।

‘সর্দারজি ৩’ ঘিরে বিতর্কে উত্তাল ভারত! পাক নায়িকার সঙ্গে অভিনয়ে নিষিদ্ধ দিলজিৎ, পাকিস্তানে চলছে মুক্তির তোড়জোড়

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *