দুর্গাপুজো পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে স্থগিতাদেশের আশ্বাস, জনতার দরবারে সংগঠনগুলিকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

দুর্গাপুজো পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে স্থগিতাদেশের আশ্বাস! দুর্গাপুজো পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও হকার উচ্ছেদ করা হবে না বলে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার জনতার দরবারে হকার সংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি…

July 4, 2026
0 min read

দুর্গাপুজো পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে স্থগিতাদেশের আশ্বাস!

দুর্গাপুজো পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও হকার উচ্ছেদ করা হবে না বলে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার জনতার দরবারে হকার সংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন বলে দাবি সংগঠনের নেতৃত্বের। তবে রেলের জমিতে উচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্য সরকারের সরাসরি কোনও ভূমিকা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

‘হকার্স জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি’র রাজ্য সভাপতি অসিত সাহার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জনতার দরবারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে। বৈঠকের পর অসিত দাবি করেন, উৎসবের মরসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত মানবিক কারণে হকার উচ্ছেদে কোনও পদক্ষেপ না করার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, রাজ্যজুড়ে হকারদের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্তে তা অনেকটাই কমবে।

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়। হকারদের অভিযোগ ছিল, আগাম নোটিস ছাড়াই অনেক জায়গায় উচ্ছেদ চালানো হয়েছে এবং বিকল্প পুনর্বাসনেরও ব্যবস্থা করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংগঠন সরকারের কাছে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়ে আসছিল।

বৈঠকে রেল সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদের প্রসঙ্গও ওঠে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেলের জমিতে অভিযান চালানোর বিষয়ে রাজ্য সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে হকারদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।

এর আগে বিভিন্ন রেল স্টেশন ও শহরের একাধিক এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের ছবি সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, দিনের পাশাপাশি রাতের অন্ধকারেও বুলডোজার চালিয়ে বহু দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও সরব হয়েছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাম নেতৃত্বও হকারদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।

হকার সংগঠনগুলির দাবি, শুধু উচ্ছেদ বন্ধ করাই নয়, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য পুনর্বাসন ও ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োজন। এ নিয়ে পূর্ত দফতরের সঙ্গে আলোচনার কথাও আগে থেকেই ছিল। সংগঠনগুলির আশা, সেই বৈঠক থেকেই ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে।

দুর্গাপুজোর আগে এই আশ্বাসে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন রাজ্যের হাজার হাজার হকার। তবে উৎসবের পর সরকারের পরবর্তী অবস্থান কী হবে, সেদিকেই এখন নজর থাকবে হকার সংগঠনগুলির।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *