কাউন্টিতে ১০ উইকেটে জবাব কুলদীপের!
টেস্ট, এক দিনের ক্রিকেট কিংবা টি-টোয়েন্টি—ভারতীয় দলে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন না কুলদীপ যাদব। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ের দলে থাকলেও প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি কোনও ম্যাচে। এশিয়া কাপ, এশিয়ান গেমস এবং আফগানিস্তান সিরিজ়ের দলেও ছিলেন না তিনি। এক দিনের ক্রিকেটেও তাঁর জায়গা এখন অনিশ্চিত। সেই পরিস্থিতিতেই কাউন্টি ক্রিকেটে নিজের ছন্দ খুঁজে নিলেন ভারতীয় স্পিনার।
দেশের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ না পেয়ে ইয়র্কশায়ারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে গিয়েছেন কুলদীপ। এসেক্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটাই তাঁর প্রথম বার এক ম্যাচে ১০ উইকেট নেওয়ার নজির।
কাউন্টিতে এমন সাফল্যের পর ভারতীয় দলে নিয়মিত সুযোগ না পাওয়া নিয়ে মুখও খুলেছেন কুলদীপ। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন পেসার স্টিভ হার্মিসনের পডকাস্টে তিনি জানিয়েছেন, দলে সুযোগ না পেলে তাঁরও খারাপ লাগে। তবে অনেক সময় দলের পরিকল্পনা এবং ভারসাম্যের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয় বলেও মেনে নিয়েছেন তিনি।
কুলদীপের কথায়, ‘‘কখনও কখনও পরিকল্পনা বা দলের ভারসাম্যের উপর নির্ভর করে আপনাকে বাদ দেওয়া হয়। খারাপ তো লাগেই। যখন দেখেন, আপনি প্রথম একাদশে সদস্য নন, খেলতে পারবেন না, তখন কার ভাল লাগে?’’
বিশ্ব ক্রিকেটে বাঁহাতি চায়নাম্যান বোলার খুব বেশি দেখা যায় না। কুলদীপও দীর্ঘদিন ধরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্পিনার হিসেবে পরিচিত। তবু সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের বাইরে থাকার সময় বেড়েছে। কুলদীপ অবশ্য বিষয়টি নিয়ে হতাশায় ডুবে থাকতে চান না।
তিনি জানিয়েছেন, গত বছরও কয়েকটি ম্যাচ খেলার আশা করেছিলেন। কিন্তু সেই সুযোগ আসেনি। এখন বিষয়টি মেনে নিয়ে পরের সুযোগের অপেক্ষা করছেন তিনি।
কুলদীপের কথায়, ‘‘দলে থাকলে আপনি অবশ্যই খেলতে চাইবেন। কিন্তু অনেক সময় তা হয় না। সবটাই ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনার উপর নির্ভর করে। গত বছর আমি ভেবেছিলাম কয়েকটা ম্যাচে সুযোগ পাব। কিন্তু পাইনি। ঠিক আছে। হয়তো পরের বার পাব।’’
তাঁর কাউন্টিতে যাওয়ার উদ্দেশ্য কাউকে জবাব দেওয়া নয় বলেও স্পষ্ট করেছেন কুলদীপ। বরং কঠিন পরিবেশে নিজেকে আরও তৈরি রাখাই তাঁর লক্ষ্য। ইংল্যান্ডের পিচে স্পিনারদের জন্য খুব বেশি সাহায্য না থাকলেও সেই চ্যালেঞ্জটাই নিতে চেয়েছেন তিনি।
কুলদীপ বলেন, ‘‘ইংল্যান্ডের পিচে স্পিনারদের জন্য বেশি সুবিধা থাকে না। তাই কাউন্টি খেলতে এসেছি। চ্যালেঞ্জ নিতে চাই। কঠিন পরিস্থিতিতে ভাল বল করতে পারলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেটাই বাড়াতে এসেছি।’’
এখন কাউন্টিতে ১০ উইকেট নেওয়ার পর কুলদীপের আত্মবিশ্বাস কতটা বাড়ে এবং জাতীয় দলে পরের সুযোগ এলে তিনি কী ভাবে তা কাজে লাগান, সেদিকেই নজর থাকবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।