তেতো শসা চিনবেন কী ভাবে?
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে শসার জুড়ি মেলা ভার। স্যালাড, রায়তা কিংবা ডিটক্স ওয়াটার— নানা ভাবে খাবারের তালিকায় জায়গা করে নেয় এই সব্জি। কিন্তু বাড়িতে এনে কাটার পর যদি দেখা যায় শসা তেতো, তখন মেজাজটাই বিগড়ে যায়। তবে একটু খেয়াল রাখলেই বাজারে কেনার সময়েই তেতো শসা এড়িয়ে চলা সম্ভব।
শসার তেতো স্বাদের অন্যতম কারণ কিউকারবিটাসিন নামের প্রাকৃতিক যৌগ। বিশেষ করে গাছের ডগা বা বোঁটার কাছাকাছি অংশে এর পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। তাই শসা কেনার আগে কয়েকটি বিষয় দেখে নিন।
তেতো শসা চেনার ৫ কৌশল
১. ডগা বা বোঁটা দেখুন
শসার ডগা যদি অস্বাভাবিক ভাবে কুঁচকে যায় কিংবা খুব গাঢ় সবুজ দেখায়, তা হলে সেটি এড়িয়ে চলুন। তেতো হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।
২. রং এক রকম কি না দেখুন
এক জায়গায় গাঢ় সবুজ, অন্য জায়গায় ফ্যাকাশে হলুদ— এমন অসম রঙের শসা না কেনাই ভাল। সমান, স্বাভাবিক সবুজ রঙের শসা বেছে নিন।
৩. হাতে নিয়ে শক্তপোক্ত কি না বুঝুন
আলতো করে চাপ দিয়ে দেখুন। কোনও অংশ নরম, অতিরিক্ত বসে যাওয়া বা কুঁচকে গেলে সেটি বাদ দিন। তুলনামূলক শক্ত ও টানটান শসা বেছে নেওয়া ভাল।
৪. গন্ধ পরীক্ষা করুন
বোঁটার কাছে হালকা করে গন্ধ শুঁকে দেখতে পারেন। তাজা শসায় সাধারণত সতেজ ও মৃদু গন্ধ থাকে। অস্বাভাবিক ঝাঁঝালো বা পচা গন্ধ পেলে সেটি কিনবেন না।
৫. অতিরিক্ত বড় কাঁটা এড়িয়ে চলুন
জলের অভাব বা প্রতিকূল পরিবেশে শসার গায়ে বড় ও ধারালো কাঁটা তৈরি হতে পারে। তাই খুব বেশি কাঁটাযুক্ত শসার বদলে তুলনামূলক মসৃণ ত্বকের শসা বেছে নেওয়া সুবিধাজনক।
মনে রাখবেন
শুধু বাইরের চেহারা দেখে শসা তেতো হবে কি না ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়া যায় না। চাষের পরিবেশ, তাপমাত্রা, জল সরবরাহ এবং শসার জাতের মতো বিষয়ও স্বাদে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বাজারে কেনার সময় তাজা, শক্ত এবং সমান রঙের শসা বেছে নেওয়াই সবচেয়ে ভাল কৌশল।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।