ডোপিং বিধি ভেঙে বিপাকে পাকিস্তানি অলরাউন্ডার!
পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মহম্মদ নওয়াজ়কে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে তিন মাসের জন্য নির্বাসিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ডোপিং সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তবে আইসিসি জানিয়েছে, নির্ধারিত পুনর্বাসন ও চিকিৎসা কর্মসূচি সম্পূর্ণ করলে তাঁর নির্বাসনের মেয়াদ তিন মাস থেকে কমে এক মাস হতে পারে।
ঘটনার সূত্রপাত এ বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের সময়। সেই ম্যাচের পর নিয়মমাফিক ডোপ পরীক্ষায় অংশ নেন নওয়াজ়। পরীক্ষার রিপোর্টে তাঁর নমুনায় ‘কার্বক্সি-টিএইচসি’ (Carboxy-THC) নামের একটি নিষিদ্ধ উপাদানের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এটি গাঁজা জাতীয় মাদকদ্রব্য সেবনের পর শরীরে পাওয়া যায় এবং আইসিসির ডোপিংবিরোধী বিধির আওতায় নিষিদ্ধ।
তদন্তে সহযোগিতা করে নওয়াজ় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই ওই পদার্থ গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও ভাবেই মাঠের পারফরম্যান্স বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়নি এবং ম্যাচে তাঁর খেলায় এর কোনও প্রভাবও পড়েনি। আইসিসি সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তুলনামূলক কম মেয়াদের শাস্তি ঘোষণা করেছে।
আইসিসির বিবৃতি অনুযায়ী, নওয়াজ় ১ মে থেকেই সাময়িকভাবে নির্বাসিত ছিলেন। ফলে ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় আড়াই মাসের শাস্তি ভোগ করে ফেলেছেন। এখন যদি নির্ধারিত চিকিৎসা ও শিক্ষামূলক পুনর্বাসন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পূর্ণ করেন, তা হলে তাঁর নির্বাসনের কার্যকর মেয়াদ মাত্র এক মাস হিসেবেই গণ্য হবে।
ডোপিংবিরোধী নিয়মে পারফরম্যান্স-বর্ধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু মাদকজাতীয় পদার্থও নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে। যদিও সব ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা এক নয়। কোনও পদার্থ কবে, কী উদ্দেশ্যে এবং কী পরিস্থিতিতে গ্রহণ করা হয়েছে, তা বিবেচনা করেই আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়।
এই ঘটনার ফলে নওয়াজ়ের আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট সূচিতে প্রভাব পড়তে পারে। তবে তিনি শাস্তি মেনে নেওয়ায় এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করায় ভবিষ্যতে দ্রুত মাঠে ফেরার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
ডোপিংবিরোধী নিয়মের প্রতি কঠোর অবস্থান বজায় রেখে আইসিসি আবারও স্পষ্ট করল, ক্রিকেটে স্বচ্ছতা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে কোনও ধরনের নিয়মভঙ্গই বরদাস্ত করা হবে না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?